টেকনাফ টুডে ডেস্ক |
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতায় গুলিবিন্ধ হয়ে পালিয়ে আসা এক রোহিঙ্গা যুবক এখন লেদা অনিবন্ধিত শরনার্থী ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে। সে মিয়ানমারের বড় গৌজিবিল এলাকার বশির আহমদের ছেলে রশিদ উল্লাহ। কিন্তু সে গ্রেফতারের ভয়ে কোনও চিকিৎসা নেননি।
গুলিবিদ্ধ রশিদ উল্লাহ জানিয়েছেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কর্তৃক হেলিকক্টার উপর থেকে বিচ্ছিন্নভাবে গুলি চালায় গ্রামগুলোতে। সে গুলিতে তার গাঁয়ে প্রায় পাঁচটি গুলি লাগে। তারপর থেকে গুরুতর আহত হয়েও মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। ঘটনার দু-দিন পর তার স্ত্রীর সহযোগিতায় কোনমতে জীবন বাজি রেখে বরইতলী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। বর্তমানে সে লেদা অনিবন্ধিত ক্যাম্পের তার বোনের বাংলাদেশে আশ্রয় নেন তিনি।
অপরদিকে পালিয়ে আসা জানে আলম নামে ৬ মাসের এক রোহিঙ্গা শিশু লেদা শরনার্থী ক্যাম্পে মৃত্যুবরণ করেছে। তাকে লেদা টালস্থ কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
মারা যাওয়া শিশুটির মা মিয়ানমারের মংডু জাম্বনিয়া গ্রামের নুর বেগম জানান, শিশুটি আহত ছিল। ১০/১২ দিন আগে মিয়ানমার সেনাবাহিনী তাদের গ্রামে হামলা চালিয়ে স্বামী কামাল হোসেনসহ দুই সন্তানকে হত্যা করে। এসময় মারা যাওয়া শিশুটি আহত হয়েছিল।
পরে নুর বেগম সপ্তাহখানেক আগে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে ও শুক্রবার লেদা ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়। এখানেই সে মারা যায়।
লেদা আনরেজিস্ট্রার্ড ক্যাম্পের চেয়ারম্যান দুদু মিয়া জানান, একে তো শিশুটি আহত ছিল তার উপর অনাহারে অর্ধাহারে থেকে অসুস্থ্য হয়ে পড়েছিল সে।
