আজিজ উল্লাহ : ২০১৪ সালে বিশ্বে এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম হয়ে ছিল ইবোলা ভাইরাস। গিনি, লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিয়নসহ কয়েকটি দেশে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল ইবোলা। এতে সাত হাজার ৫৮০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে কয়েকশ চিকিৎসক ও নার্স। সবচেয়ে বিপদের কথা, আক্রান্ত বলে চিহ্নিতদের ৭০ শতাংশই মারা যেত।
এদিকে ২০২০ সালে নতুন আতঙ্ক করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯।এই ভাইরাস বিশ্ব ব্যাপাী আতঙ্কের কারণ হলেও এখনো ৭ হাজার মরা যায়নি। এই ভাইরাসে ইবোলা থেকে বেশি আক্রান্ত হলেও তেমন মরা যায়নি।
চীনের মত ১শ ৫০ কোটি জনগণের দেশে দুয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু তেমন জটিল বলে মনে হয় না। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্ক থেকে এর গুজবটা আরো মারাত্মক আতঙ্ক হয়ে পড়ে বিশ্বে।
বাংলাদেশে গত বছর ডেঙ্গু জ্বরও কম আতঙ্ক ছিল না। ডেঙ্গুতে পুলিশ, চিকিৎসক, সাংবাদিক, সচিবের স্ত্রী, সাধারণ ৫শতাধিক মানুষ মরেছে পরে কিন্তু তাও ঠিক হয়ে গেছে।
জনসংখ্যা তত্ত্বে টমাস ম্যালথাস বলেছেন, যেভাবে মানুষ বৃদ্ধি পায় সেইভাবে সম্পদ বাড়ে না। তাই প্রকৃতি মানুষের সংখ্যা কমাতে দায়িত্ব গ্রহণ করে। মানুষ বিভিন্ন কারণে মরে যাবে হয়ত বিভিন্ন রোগ ব্যাধিতে বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মানুষ ঠিকই মরা যাবে।
তো করোনা ভাইরাস তেমন একটা রোগ মাত্র।সবাইতো জানে মানবকে অবশ্যই মরতে হবে অতীতও তাই বলে।
গত ১শ বছরের আগের কতজন মানুষ বেঁচে আছে? সো কোন ভাইরাসরই নতুন নয় এভাবে আসবে বিভিন্ন নামে মানব নিধন করতে তাই করোনা ভাইরাসে এত আতঙ্ক হওয়ার কিছু নেই। প্রতিদিন শত শত মানুষ এমনে মরতেছে। সুতরাং শরীরে রোগ প্রতিরোধের ব্যাকটিরিয়া গুলো যাতে আক্রমনাত্মক ব্যাকটিরিয়াকে লড়াই করে প্রতিরোধ করতে পারে তার জন্য সুস্বাদু খাবার খাওয়া জরুরি।
লেখক আজিজ উল্লাহ শান্ত: ইতিহাস বিভাগ,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
