শামীম ইকবাল চৌধুরী : করোনাভাইরাস মোকাবিলায় যেকোন ধরনের কাজে পাশে থাকতে চান “দূর্যোগে মানবিক প্রয়াস নাইক্ষ্যংছড়ি” স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি । এলাকার প্রয়োজনে নিজেদের শ্রমকে কাজে লাগিয়ে দৃষ্টান্ত তৈরি করতেন চান তারা।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি কাজ করে আসছে৷
আর এদিকে
এই সস্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে দুই ইউনিয়নে গত দুইদিন ধরে মানবসেবায় কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি।
এর মধ্যে গত ৩১ মার্চ মঙ্গলবার দৌছড়ি ইউনিয়নের বাহির মাঠ,পাইনছড়ি,ধর্মছড়া লেম্বুছড়ি।
১ এপ্রিল বুধবার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের জরুলিয়াছড়ি,ঠাকুর পাড়া,হেডম্যান পাড়া,জামিরতলী ও উক্যচিং হেডম্যানপাড়া আর ঘুমধুম ইউনিয়নের বরইতলী,রেজু হেডম্যানপাড়া, বাইশফাঁড়ি এলাকায় মানুষকে চাল,আলু,তেল, সাবান, ডাল ইত্যাদি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও ব্যক্তি উদ্যোগে দেশের দুঃসময়ে কাজ করতে চান অনেক তরুণ।
করোনা ভায়াবহ পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবী তরুণেরা বলছেন, “দূর্যোগে মানবিক প্রয়াস নাইক্ষ্যংছড়ি ” সংগঠনটির নীতিনির্ধারকেরা সঠিক দিক নির্দেশনা পেলে এমন সংকটময় মুহূর্তে তারাও সহযোগিতা করতে চান এলাকার মানুষকে।
সাম্প্রতিক আত্মপ্রকাশিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “দূর্যোগে মানবিক প্রয়াস নাইক্ষ্যংছড়ি” এর কর্মীরা বিভিন্ন সেবামুলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকায় ইতোমধ্যে কুড়িয়েছেন সুনাম।
সংগঠনটির মহাসচিব তসলিম ইকবাল চৌধুরী বলেন, আমাদের পুরো নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ৫ শতাধিক সর্থক কর্মী রয়েছে। আমরা এখন পর্যন্ত আমাদের মতো করে করোনা নিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামীতেও যে কোনো পরিস্থিতিতে আমরা কাজ করবো। এমন কঠিন সময়ে অবশ্যই পাশে থাকবে ‘দূর্যোগে মানবিক প্রয়াস নাইক্ষ্যংছড়ি” সংগঠনটি।
সংগঠনটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো,শফি উল্লাহ বলেন, দেশের এমন পরিস্থিতিতে চুপ করে বসে থাকা উচিত হবে না।
আমাদের প্রয়োজনীয় কিছু কাজ করতে হবে, যা তাদের সুরক্ষা দিবে।
