কবি আল মাহমুদ এর স্মরণে একগুচ্ছ কবিতা

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

এম.এরশাদুর রহমান :

আলমাহমুদ আলমাহমুদ

ভুলতে তোমায় পারিনা ।

তুমি মোদের বলেছিলে

এই ধরা আসল বাড়ী না ।

কবিতা লিখেও জীবন

নির্বাহ করা যায় ।

সেই মহা মন্ত্র আমরা

তোমার জীবন থেকে পাই ।

আলমাহমুদ আলমাহমুদ

কবিতাময় এক নাম ।

দুই হাতেই লিখেছেন

না ভেবে ডান বাম ।

আল মাহমুদ তুমি কি জান

তাগুদরা তোমার কি করছে উপকার ?

তোমার কফিনটি নিতে দেয়নি

কেন্দ্রীয় ঐ শহীদ মিনার ।

তাতে তুমি বেচেঁ গেলে

দাউ দাউ করা অনল হতে ।

জুমাবারে মরণ যেহেতু

চলে গেলে জান্নাতের পথে ।

কিরামুন কাতেবীনরা তোমার

ভালো লিখা গুলো আল্লাহকে দিয়েছে জমা ।

আল্লাহ তোমার সেই সে কবিতা দেখে

খুশী হয়ে করে দিয়েছেন ক্ষমা ।

তুমি কবর রাজ্যে জান্নাতের টুকরায়

দিলেন জনমের ঘুম ।

আমরা প্রতিদিন তোমার লেখা পড়ে

তাতে দিই প্রেমের চুম ।

আলমাহমুদ আলমাহমুদ

তুমি বাংলার তৌহিদী জনতার

সর্ব শ্রেষ্ট পুত ।

তোমার লেখা কবিতা গুলো

সমান তালে সবার তরে

যেন এক মায়ের দুধ।

তোমার লেখায় খুজেঁ পাই

জান্নাতের মেঘময় এক রোদ ।

সব বাঙালী তোমার লেখার

ঋণ করতে পারবনা পরিশোধ ।

সোনালী কাবিনের কবি তুমি

তুমি ছিলে আমাদের প্রাণ ।

লিখনির মাঝে রইবে বেচেঁ

তোমার স্মৃতি অ¤øাণ ।

ধ্যানী তুমি জ্ঞানী তুমি

ছিলেন মুক্তি যোদ্ধা ।

শব্দ নিয়ে খেলা করে

ছিলেন পাঠক বুদ্ধা ।

শুক্রবারে চাইলে মরণ

শুক্রবারেই হল ।

এখন তোমার যত চাওয়া ।

আল্লাহকেই বল ।

আল মাহমুদ আল মাহমুদ

জনপ্রিয় এক কবি ।

তার কবিতা পাঠ করলে

ভেসে উঠে ঐ ছবি ।

দৃশ্যমান কবিতা লিখে

জুড়ালেন বহু আঁখি ।

দুই হাতে লিখে গেছেন

রাখেননি কিছু বাকি ।

কবি পরিচিতি

এম,এরশাদুর রহমান

সহকারি শিক্ষক

হ্নীলা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

টেকনাফ,কক্সবাজার।

হাত ফোনঃ০১৮৪৫১৪৮৬৪৯

…………………….

হে কবি

এম.এরশাদুর রহমান

কে কবি, হে মানবতার কবি

আব্দুল হাই সিকদার।

তুমি আসবে ফিরে

আমাদের মাঝে বারবার ।

আপনাকে পৃথিবীর দীর্ঘতম

সমুদ্র সৈকতে সু সাগতম।

এটা কবিতার শহর হলে

হবে দারুণ মনোরম ।

তুমি এখানে এসে লিখে যাবে

যত আছে তোমার লেখা ।

তোমার ক্ষুরধার লিখনিতে

হউক সবার শেখা ।

আপনি আমাদের আবেগের

জায়গা করে আছেন দখল ।

আপনাকে ভালোবাসি

আমরা যত আছি সকল ।

সুন্দরের এই পীঠস্থান

মানবতার এই শহরে ।

দূর থেকেএসেছেন আপনি

আল মাহমুদ এর স্মরণে ।

আবেগোপ্লুত মোরা

আপনাকে কাছে পেয়ে ।

সু স্বাগতম জানাব

কবিতা গান গেয়ে ।

………………..

নারী

এম.এরশাদুর রহমান

নারী তোমাকে নিয়ে

কেন এত কৌতুহল ।

তুমি ভালোবাসনি বলে

পুরুষের নয়নে জল ।

তোমাকে যতই জানি

ততই হচ্ছি মুগ্ধ ।

তোমার ভালোবাসায়

পুরুষেরা অবরুদ্ধ ।

শব্দ জোড়া দিয়ে তুমি

বানাও প্রেমের গান ।

তাই তোমার প্রতি

পুরুষের এত টান ।

………..

নামাজ

এম.এরশাদুর রহমান

আজান হওয়ার পরপরই

যায়না যারা মসজিদে ।

আগুন দিয়ে মিটাবেন

প্রভু তাদের ক্ষিধে ।

নামাজীরা মনের সুখে

বেড়াবে উড়ে উড়ে ।

গুনা গুলো সোনা হয়

নামাজ পড়লে ভোরে ।

,,,,,,,,,,,,,,,,

বার্ষিক পিকনিক

এম.এরশাদুর রহমান

কক্সবাজার সাহিত্য একাডেমীর

বার্ষিক পিকনিক ।

সবকিছু মজার ছিল

পূর্ণ ছিল সকল দিক ।

কলা বিস্কুট হলুদডিম

নাস্তার পর্বে ছিল ।

রুহুল কাদের বাবুল

হাতে তুলে দিল ।

হেলালী জোছনার গান

কানে কানে বাজে ।

সৈকত তা শুনে

নতুন করে সাঁজে ।

ছাদ থেকে সাগর

দেখতে দারুন লাগে ।

প্রতিমাসে একবার

আমার মন জাগে ।

কলাতলির কলা খেয়ে

বার্ষিক পিকনিক শুরু ।

আনন্দঘন ছিল

পিকনিকটাই পুরো ।

বনভোজন নয় পিকনিক

বার্ষিক মিলন মেলা ।

খেয়ে গেয়ে নেঁেচ

মজার এক খেলা ।

কবি হাকিম খাওয়ালেন

তার হোটেলের ছাদে ।

অন্য সব দায়িত্ব নেন

কবি রুহুল কাধেঁ।

বছরের একটি দিন

মজা করে কাটাই ।

চলে যেতে হবে

বাধা আছে নাঠাই ।

সাহিত্য একাডেমী

কোটি বছর বাচুক ।

নতুন কবি সাহিত্যিক

তার কাছে আসুক ।

সেই পথ

এম.এরশাদুররহমান

চিরদিন ধরে মহানএকুশে ফ্রেরুয়ারী

সব মানুষের হৃদয়ে থাকবে সমান জারি ।

মাতৃভাষা অনুরাগী সব মানুষের কাছে

চাকার মত ঘুরে সবার মাঝে আসে ।

মাতৃভাষার জন্য যারা দিয়ে গেল প্রাণ

প্রাণপণে রাখব মোরা সেই শহীদের মান

ভুলিনি তাদের ভুলবনা মোরা চিরদিন ।

শোধিব মোরা রক্তদিয়ে তাদের সেই ঋণ ।

শহীদ হলো রফিক জব্বার সালাম বরকত ।

চলব মোরা ওদের সাথে ওরাই যে সে পথ ।

এটি হোক সকলের একুশের শপথ ।

,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

আমার প্রিয় কবি

এম.এরশাদুররহমান

আমার প্রিয় কবি

কাজী নজরুল ।

লিখত কবিতা সে

বিরুদ্ধে জুলুম জুল ।

আট বছর বয়সে

কবি আব্বুকে হারায় ।

রুটির দোকানে চাকরি

মাসিক পাচঁ টাকায় ।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে

অংশ নেন কবি ।

সাহিত্য গান কবিতায়

আনলেন নতুন রবি ।

কারাগারে বসে কবি

লিখেন বহু লেখা ।

তারি লিখনি হতে

অনেক যায় শেখা ।

কবিরা লিখনি দিয়ে

করে যান সংগ্রাম।

কবিরা মরেনা

তাদের স্মৃতি অম্লাণ ।

,,,,,,,,,,,,,,

খোলাফায়ে রাশেদিন

এম.এরশাদুররহমান

খোলাফায়ে রাশেদিনগণ

দুঃখ করে করেছিল দিনযাপন

রাষ্ট্রীয় বায়তুলমালজনগণেরআমানত

এতে তাদের নিজস্ব নেই কোনসম্পদ ।

নিজের কাজ নিজে তারা করতেন

সব সময় আল্লাহকে স্মরতেন ।

ক্ষমতার অপব্যবহার করেনি কভু তারা

তাইত রাসুল জান্নাতে যাবেনা তাদের ছাড়া ।

কামনা

এম.এরশাদুররহমান

তোমার প্রেমেরআলোতে ই

আলোকিতআমি ।

তোমারগায়েতাপপড়লে

আমিনিজেইঘামি ।

তুমি আমার কাব্যের পুজিঁ

ভালোবাসার ধন ।

হৃদয় জুড়ে আছ তুমি

তুমিই আমার মন ।

বাচঁতে তুমিই সহায়

তুমি আমার শ্বাস ।

কামনা তোমার সাথে

হউক বেহেস্থে বাস ।