টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন-২০২২ সফল হোক
১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত টেকনাফ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি / সম্পাদক ১৯৮৯-১৯৯৩ সাল পর্যন্ত চকোরিয়া কলেজ ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক/ সভাপতি ও ১৯৯১ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত টেকনাফ উপজেলা ছাত্রলীগের, যুগ্ম সম্পাদক/ আহবায়ক, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ (মাসুম-শওকত) ও কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের (গুন্ডু-তালেব) কমিটির সদস্য হিসেবে এবং ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক/ কক্সবাজার জেলা আওয়ামী যুবলীগের (খোরশেদ রঞ্জিত) সহ-প্রচার সম্পাদক, ২০০৫-২০২২ পর্যন্ত টেকনাফ পৌর আওয়ামী লীগের আহবায়ক /সভাপতি হিসেবে জেনারেল এরশাদের স্বৈরশাসন, ম্যাডাম খালেদা- নিজামীর জোট সরকারের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালন, সেনা আশ্রিত
জরুরি অবস্থার সরকার ও তত্বাবধায়ক সরকার ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ১৯৯৬-২০০১ ও ২০০৮-২০২২ পর্যন্ত চলমান সরকারের শাসনামলে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত ছিলাম।
সরকার বিরোধী রাজনীতিতে ক্ষমতাসীন দলের ঠেলা আর ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতিতে অন্য রকম ঠেলা কাজ করে। বিরোধী দলের ঠেলা মামলা- হামলা হলেও পাবলিক প্লেসে গলা ফাটিয়ে মাইকে চিৎকার করে বুঝানো যায়। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের ঠেলা তো বুঝানোর সুযোগ নেই। সুতরাং না হয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মত এগিয়ে যেতে হবে। না হয় কন্ট্রাক্টরী ছাড়তে বাধ্য হওয়া ছাড়া গত্যন্তর থাকবে না।
আগামী ১১ সেপ্টেম্বর রবিবার টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশন। এতে আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির যুগ্ম সম্পাদক জননেতা মাহবুবুল হক হানিফ এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, সমুদ্র জনপদের কৃতিসন্তান, জননেতা অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেতা অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম, উপ-প্রচার সম্পাদক বীর চট্টলার অহংকার আমিনুল ইসলাম আমিন, সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় ও স্হানীয় নেতৃত্ব উপস্থিত থাকবেন।
উপজেলা শীর্ষ পদে আসীন হতে যোগ্যতা সম্পন্ন অনেকই আছেন। যাদের কাছে রয়েছে সাংগঠনিক দক্ষতা, ক্ষমতা,অর্থবৃত্ত, শিক্ষা, রাজনৈতিক উত্তরাধিকার, ম্যানেজিং ক্যাপাসিটি, সততা , নৌকা প্রেম।
কিন্তু আমার কাছে এসবের কিছু ই নেই। শুধু আছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের চেতনা ও জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা।
এই আস্থা নিয়েই আওয়ামী লীগের প্রতি একজন নগন্য বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নিবেদিত প্রাণ কর্মী দাবীদার । গঠনতন্ত্র এক পাশে রেখে, সাংগঠনিক নিয়ম অনুসৃত না করে সমোঝোতার অশুভ সন্ধির বিরুদ্ধে আমার অবস্থান চিরায়ত।
তবে আমার দাবী যথাযথ নাও হতে পারে। তা ইতিহাস বিচার করবে। কঠিন অসময়ে আদর্শচ্যুত না হওয়ায় আমার একটা বড়ো অযোগ্যতা।
অনেক অনেক যোগ্য নিবেদিত ত্যাগী আওয়ামী কর্মীদের মধ্যে আমিও কি উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে দায়িত্ব পালনের আবেদন করতে পারিনা?
তারপরও এই সম্মেলনে প্রত্যাশা একটাই। ছাত্রলীগ থেকে বেড়ে উঠা আওয়ামী পরিবারের হাতেই নিরাপদ প্রকৃত আওয়ামী লীগ।
————-
জাবেদ ইকবাল চৌধুরী,
সাবেক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ কর্মী।
