টেকনাফ টুডে ডেস্ক :
মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহ লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেওয়ার পর মেহেদী হাসান মিরাজের হাত ধরে বোলিংয়ে শুরু হয় দারুণ। পাল্টা আক্রমণে খুনে ইনিংসে শ্রীলঙ্কাকে ম্যাচে ফেরান ভানিন্দু হাসারাঙ্গা। তবে শেষ রক্ষা করতে পারেননি এই অলরাউন্ডার। মিলিত চেষ্টায় লঙ্কানদের ৩৩ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ।
ফিরেই মুস্তাফিজের উইকেট
ওভার অসমাপ্ত রেখে মাঠ ছাড়ার কিছুক্ষণ পর ফিরেন মুস্তাফিজুর রহমান। সাকিব আল হাসানের ২ ওভারের স্পেল শেষে তাকে আক্রমণে ফেরান অধিনায়ক। বল হাতে নিয়েই উইকেট এনে দেন মুস্তাফিজ।
বাঁহাতি পেসারকে ছক্কায় ওড়াতে চেয়েছিলেন ইসুরু উদানা। টাইমিং করতে পারেননি। সীমানায় ক্যাচ মুঠোয় জমান মেহেদী হাসান মিরাজ। ২৩ বলে দুই চারে উদানা করেন ২১।
৪৪.১ ওভারে শ্রীলঙ্কার স্কোর ৯ উইকেটে ২১১।
হাসারাঙ্গার ঝড় থামালেন সাইফ
অবশেষে থামল ভানিন্দু হাসারাঙ্গার ঝড়। এই অলরাউন্ডারকে ফিরিয়ে ম্যাচ বাংলাদেশের দিকে ঘুরিয়ে দিলেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।
তাকে পুল করে ওড়াতে চেয়েছিলেন হাসারাঙ্গা। টাইমিং করতে পারেননি। মিড মিউইকেটে ক্যাচ মুঠোয় নেন আফিফ হোসেন। ভাঙে ৫৯ বলে ৬২ রানের জুটি।
৬০ বলে পাঁচ ছক্কা ও তিন চারে ৭৪ রান করেন হাসারাঙ্গা।
৪৪ ওভারে শ্রীলঙ্কার স্কোর ৮ উইকেটে ২১১।
হাসারাঙ্গাকে জীবন দিলেন লিটন
ভানিন্দু হাসারাঙ্গাকে যেন থামানোর পথ পাচ্ছে না বাংলাদেশ। ইচ্ছেমত ছক্কা হাঁকাচ্ছেন ডানহাতি এই অলরাউন্ডার। তাকে থামানোর একটি সুযোগ এসেছিল সাকিব আল হাসানের বলে।
অনেকটা ছুটে গিয়ে আসল কাজ করে ফেলেছিলেন লিটন কিন্তু শেষ মুহূর্তে ফ্লাইট বুঝতে ভুল করে মুঠোয় জমাতে পারেননি ক্যাচ। সে সময় ৬৩ রানে ছিলেন হাসারাঙ্গা।
৪১ ওভারে শ্রীলঙ্কার স্কোর ৭ উইকেটে ১৯৫। ৪৮ বলে ৬৫ রানে খেলছেন হাসারাঙ্গা। ইসুরু উদানারা রান ১৬ বলে ১৪।
এই ওভার শেষে মাঠে ফিরেছেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান।
চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন মুস্তাফিজ
ভানিন্দু হাসারাঙ্গার ঝড় থামাতে যার দিকে সবচেয়ে বেশি তাকিয়ে ছিলেন তামিম ইকবাল, সেই মুস্তাফিজুর রহমান মাঠ ছেড়েছেন ওভার অসমাপ্ত রেখে।
ম্যাচের সেটি ৩৯তম ওভার, মুস্তাফিজের সপ্তম।
পঞ্চম বলটি করার পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান মুস্তাফিজ। ফিজিও মাঠে কিছুক্ষণ চিকিৎসা দেওয়ার পরও কাজ হয়নি। তার সঙ্গে ধীরে ধীরে হেঁটে মাঠ ছাড়েন বাঁহাতি পেসার। ওভারটি শেষ করেন মাহমুদউল্লাহ।
৩৯ ওভারে শ্রীলঙ্কার স্কোর ৭ উইকেটে ১৮১। হাসারাঙ্গা ৪০ বলে ৫৫ ও ইসুরু উদানা ১২ বলে ১০ রানে ব্যাট করছেন।
৩১ বলে হাসারাঙ্গার ফিফটি
পাল্টা আক্রমণে শ্রীলঙ্কার আশা বাঁচিয়ে রাখা ভানিন্দু হাসারঙ্গা ফিফটি করলেন ৩১ বলে। তাসকিন আহমেদের বলে ডিপ মিডউইকেট দিয়ে চমৎকার ছক্কায় আসে তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি।
হাসারাঙ্গার খুনে ইনিংসে তিনটি চারের পাশে ছক্কা চারটি। তার ব্যাটে ক্রমেই মন্থর হয়ে পড়া উইকেটে লড়াইয়ে আছে সফরকারীরা।
৩৬ ওভারে শ্রীলঙ্কার স্কোর ৭ উইকেটে ১৬৫। ৩২ বলে ৫০ রানে খেলছেন হাসারাঙ্গা। ২ বলে ইসুরু উদানার রান ১। প্রয়োজনে বড় শট খেলতে পারেন তিনিও।
দ্রুত এগোনো জুটি ভাঙলেন সাইফ
পাল্টা আক্রমণে দ্রুত এগোনো জুটি ভাঙলেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। তরুণ এই অলরাউন্ডার বোল্ড করে দিলেন দাসুন শানাকাকে।
অফ স্টাম্পে থাকা লেংথ বলের লাইন মিস করেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ভেতরে ঢুকে আলতো করে বেল ফেলে দিয়ে যায়। কি হয়েছে বুঝতেই পারেননি ২৫ বলে ১৪ রান করা শানাকা।
তার বিদায়ে ভাঙে ৪০ বল স্থায়ী ৪৭ রানের জুটি।
৩৫ ওভারে শ্রীলঙ্কার স্কোর ৭ উইকেটে ১৫৭। জয়ের জন্য শেষ ১৫ ওভারে ১০১ রান চাই সফরকারীদের। ক্রিজে হাসারাঙ্গার সঙ্গী ইসুরু উদানা।
মিরাজের চতুর্থ উইকেট
আশেন বান্দারাকে বোল্ড করে ওয়ানডেতে তৃতীয়বারের মতো চার উইকেট পেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
আশেন বান্দারাকে বেরিয়ে আসতে দেখে বল একটু টেনে দেন এই অফ স্পিনার। ব্যাটের কানা ফাঁকি দিয়ে উড়িয়ে দেয় মিডল স্টাম্প।
২৪ বলে ৩ রান করেন বান্দারা। পরের তিন বলে মিরাজকে দুটি বাউন্ডারি মারেন ভানিন্দু হাসারাঙ্গা।
২৮ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান ৬ উইকেটে ১১০।
উইকেটের ফিফটি মিরাজের
টানা দুই ওভারে উইকেট পেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ওয়ানডেতে স্পর্শ করলেন উইকেটের ফিফটি।
পঞ্চাশ উইকেট পেতে ৪৮ ম্যাচ লাগল আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে পাঁচ নম্বরে থাকা এই অফ স্পিনারের।
বাংলাদেশকে বেশ কয়েকবার ভোগানো ধনাঞ্জয়া ডি সিলভাকে বোল্ড করে দ্রুত ফেরান মিরাজ। শাফল করে খেলতে চেয়েছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। বল স্পিন করে তার প্যাডে ছুঁয়ে লেগ স্টাম্প স্পর্শ করে ফেলে দেয় বেল।
১৫ বলে ৯ রান করেন ধনাঞ্জয়া।
২৪ ওভারে শ্রীলঙ্কার স্কোর ৫ উইকেটে ৯৮। ক্রিজে আশেন বান্দারার সঙ্গী দাসুন শানাকা।
মিরাজের দ্বিতীয় শিকার কুসল
সহ-অধিনায়কের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টিকলেন না অধিনায়কও। দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করে কুসল পেরেরাকে থামালেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
অ্যাঙ্গেলে ভেতরে ঢোকা বলের লাইন পুরোপুরি মিস করেন বাঁহাতি ওপেনার। উপরে যায় তার অফ স্টাম্প। অন্য ওপেনার দানুশকা গুনাথিলাকাকেও ফিরিয়েছিলেন মিরাজ।
লঙ্কান অধিনায়ক স্বভাববিরুদ্ধ ব্যাটিংয়ে এক চারে ৫০ বলে করেন ৩০।
২২ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান ৪ উইকেটে ৯৪। ক্রিজে ধনাঞ্জয়া ডি সিলভার সঙ্গী আশেন বান্দারা।
বোলিংয়েও রিভিউ শেষ বাংলাদেশের
ম্যাচে আরেকটি ব্যর্থ রিভিউ নিল বাংলাদেশ। ব্যাটিং-বোলিং মিলেয়ে স্বাগতিকদের এটি চতুর্থ রিভিউ। ব্যর্থ হলো চারটিই।
১৯তম ওভারের শেষ বলে সাকিবের ফুলটস ব্যাটে খেলতে পারেননি কুসল পেরেরা। জোরালো আবেদনে অম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। বল ট্র্যাকিংয়ে দেখা গেছে বল পিচ করত লেগ স্টাম্পের বাইরে। তাতে বোলিংয়ে দ্বিতীয় ও শেষ রিভিউটাও হারায় বাংলাদেশ।
সাকিবের হাজারতম শিকার মেন্ডিস
এক হাজার উইকেটের ঠিকানায় যেতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হলো না সাকিব আল হাসানকে। নিজের দ্বিতীয় ওভারেই কুসল মেন্ডিসকে ফিরিয়ে ভাঙলেন জুটি। নিজের উইকেট সংখ্যা নিয়ে গেলেন চার অঙ্কে।
প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ৯৯৯ উইকেট নিয়ে এই ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন সাকিব। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার উইকেট ৩৬২টি। টি-টোয়েন্টিতে ৩১০। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে মেন্ডিস তার ৩২৮তম শিকার।
বাঁহাতি স্পিনারকে ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন মেন্ডিস। একটু ঝুলিয়ে দেওয়া বলে ঠিক মতো শট খেলতে পারেননি লঙ্কান সহ-অধিনায়ক। পয়েন্টে ঝাঁপিয়ে ক্যাচ মুঠোয় নেন আফিফ হোসেন। ভাঙে ৪১ রানের জুটি।
৩৬ বলে দুই চারে ২৪ রান করেন মেন্ডিস।
১৯ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান ৩ উইকেটে ৮৫। ক্রিজে কুসল পেরেরার সঙ্গী ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা।
একটুর জন্য হলো না
১৯তম ওভারে বোলিং এসে উইকেট প্রায় পেয়েই যাচ্ছিলেন সাকিব আল হাসান। হলো না একটুর জন্য। আউট হতে হতে বেঁচে গেলেন কুসল পেরেরা।
বাঁহাতি স্পিনারের বলে ঠিক মতো শট খেলতে পারেননি লঙ্কান অধিনায়ক। ঝাঁপিয়ে পড়লেও একটুর জন্য বলের নাগাল পাননি সাকিব। এক ড্রপে বল যায় তার হাতে।
১৭ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান ২ উইকেটে ৭৫। কুসল পেরেরা ৩৮ বলে ২৪ ও কুসল মেন্ডিস ৩০ বলে ১৮ রানে ব্যাট করছেন।
পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেট
পাওয়ার প্লেতে শ্রীলঙ্কার দুই ব্যাটসম্যানকে ফেরত পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। একটি করে উইকেট নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও মুস্তাফিজুর রহমান।
১০ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান ২ উইকেটে ৪৯। কুসল পেরেরা ২১ বলে ১৫ রানে ব্যাট করছেন। কুসল মেন্ডিস খেলছেন ৭ বলে ১ রানে।
৪৯ রানের ২৭ এসেছে তাসকিন আহমেদের তিন ওভার থেকে। এই পেসার হজম করেছেন ছয় বাউন্ডারি। পাওয়ার প্লেতে এর বাইরে কেবল একটি বাউন্ডারি মারতে পেরেছে লঙ্কানরা।
বাকি তিন বোলার ওভার প্রতি দিয়েছেন তিনের নিচে রান।
এসেই মুস্তাফিজের আঘাত
তিনটি খরুচে ওভারের পর তাসকিন আহমেদকে সরিয়ে দিলেন তামিম ইকবাল। বল তুলে দিলেন মুস্তাফিজুর রহমানের হাতে। আক্রমণে এসেই পাথুম নিসানকাকে ফিরিয়ে দিলেন বাঁহাতি এই পেসার।
লেংথ বল পুল করেছিলেন নিসানকা। কিন্তু বল যথেষ্ট বাউন্স না করায় ঠিক মতো টাইমিং করতে পারেননি। মিড উইকেটে সহজ ক্যাচ মুঠোয় জমান আফিফ হোসেন। এক চারে ১৩ বলে ৮ রান করেন নিসানকা।
৮ ওভারে শ্রীলঙ্কার স্কোর ২ উইকেটে ৪১। ক্রিজে অধিনায়ক কুসল পেরেরার সঙ্গী সহ-অধিনায়ক কুসল মেন্ডিস।
প্রথম আঘাত মিরাজের
নতুন বলে দারুণ বোলিং করা মেহেদী হাসান মিরাজ এনে দিলেন প্রথম সাফল্য। ফিরিয়ে দিলেন দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় থাকা দানুশকা গুনাথিলাকাকে।
অফ স্পিনারের অফ স্টাম্পের একটু বাইরের ফুল লেংথ ডেলিভারি বোলারের পাশ দিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন গুনাথিলাকা। ঠিক মতো পারেননি বাঁহাতি এই ওপেনার। সহজ ফিরতি ক্যাচ মুঠোয় জমান মিরাজ।
১৮ বলে পাঁচ চারে ২১ রান করেন গুনাথিলাকা।
৫ ওভারে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩০। ক্রিজে কুসল পেরেরার সঙ্গী পাথুম নিসানকা।
রিভিউ হারাল বাংলাদেশ
ইনিংসের তৃতীয় ওভারে একটি রিভিউ হারাল বালাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজের ফুল লেংথ বল লাগে কুসল পেরেরার পায়ে। এলবিডব্লিউর আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। অনেক আলোচনা করে শেষ মুহূর্তে রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। দেখা যায়, বল চলে যাচ্ছিল লেগ স্টাম্পের বাইরে।
দুই রিভিউয়ের একটি হারাল বাংলাদেশ।
শ্রীলঙ্কাকে ২৫৮ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ
মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহর ফিফটিতে প্রথম ওয়ানডেতে লড়াইয়ের পুঁজি গড়েছে বাংলাদেশ। ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৫৭ রান করেছে স্বাগতিকরা।
রান হতে পারতো আরও বেশি। কিন্তু ডেথ ওভারে লঙ্কানদের দারুণ বোলিং আর বাংলাদেশের বাজে ব্যাটিং মিলিয়ে অন্তত ২০ রান কম হয়েছে। শেষ ১০ ওভারে বাংলাদেশ যোগ করতে পেরেছে কেবল ৬৪।
ফিনিশারের ভূমিকায় নেমে তিন চারে ২২ বলে ২৭ রান করেন আফিফ হোসেন। দুই চারে ১৩ রান করেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।
অনিয়মিত অফ স্পিনার ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছেন বাংলাদেশকে। ২৩তম ওভারে পরপর দুই বলে তামিম ইকবাল ও মোহাম্মদ মিঠুনকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ডেথ ওভারে ২ ওভার বোলিং করে মাত্র ৭ রান দিয়ে নেন মাহমুদউল্লাহর উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ২৫৭/৬ (তামিম ৫২, লিটন ০, সাকিব ১৫, মুশফিক ৮৪, মিঠুন ১, মাহমুদউল্লাহ ৫৪, আফিফ ২৭*, সাইফ ১৩*; উদানা ১০-১-৬৪-০, চামিরা ৮-০-৩৯-১, ধনাঞ্জয়া ১০-২-৪৫-৩, গুনাথিলাকা ২-০-৫-১, হাসারাঙ্গা ১০-০৪-৪৮-০, সান্দাক্যান ১০-০-৫৫-১)
