উখিয়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৮ years ago

উখিয়া প্রতিনিধি :
উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউ.পি সদস্য মো: আবদুল হকের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবীর অভিযোগে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। ৬ মে উখিয়া উপজেলা কৃষি-খাস জমি বন্দোবস্তো ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য আনিসুল ইসলাম এই অভিযোগ দায়ের করেন।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানা যায়, আনিসুল ইসলামের বসত ভিটায় রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের ত্রাণ সামগ্রী রাখার জন্য এনজিও ফোরামকে ওয়্যার হাউজ ভাড়া দেওয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় কিছু শ্রমিকদের কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি এনজিও ফোরামের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় ব্যাপক আর্থসামাজিক উন্নয়নের কাজ চলছে।
এ সব কর্মকান্ডে প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে রাজাপালং ইউনিয়নের ফলিয়া পাড়া গ্রামের বাসিন্দা শামশুল আলম সওদাগরের ছেলে ও ইউপি সদস্য আবদুল হক গত ২৭ এপ্রিল ত্রাণবাহী ২টি ট্রাক আটকিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে। দুইদিন গাড়ী আটকে রাখার পর প্রশাসনের মধ্যস্থতায় গাড়ীগুলো ছাড়া পেলেও চাঁদা দাবীর বিষয়টি থেমে যায়নি।
অথচ এই সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত ভারী মালবাহী গাড়ী লম্বাশিয়া ও মধুরছড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবাধে যাতায়াত করে থাকে। এদিকে আনিসুল ইসলাম কর্তৃক ভাড়া দেওয়া এনজিও ফোরামের গুদামে গাড়ী প্রবেশ না করার জন্য এনজিও’র লোকজনকে প্রায় সময় হুমকি ধমকি দিচ্ছে। এমনকি গাড়ী প্রতি ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করছে। অন্যথায় এনজিও ফোরামের ত্রাণবাহী কোন গাড়ী গুদামে ঢুকতে দেওয়া হবে না। ইউ.পি সদস্য আবদুল হকের চাঁদা দাবীর বিষয়ে প্রতিবাদ করলে অভিযোগকারীকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে বলে জানান আনিসুল ইসলাম।
এ ব্যাপারে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নিকারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ইউপি সদস্য আবদুল হকের বিরুদ্ধে এনজিও ফোরামের ত্রাণবাহী গাড়ী থেকে চাঁদাবাজির একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।