কালের কণ্ঠ অনলাইন :
ইয়াবা পাচার বন্ধের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আওয়ামী লীগ তৃণমূলের দুই নেতা এমপি প্রার্থী হতে চান কক্সবাজারের আলোচিত উখিয়া-টেকনাফ সংসদীয় আসনে। এ আসনের জন্য অন্যান্যদের সঙ্গে ইতিমধ্যে এই দুই নেতা দলীয় মনোনয়নও সংগ্রহ করেছেন। তারা দু’জনই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন-ইয়াবা পাচার বন্ধ করার।
তাদের একজন টেকনাফের এবং অপরজন উখিয়া উপজেলার বাসিন্দা। টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের তিন বারের নির্বাচিত চেয়াম্যান, টেকনাফ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য এবং কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোহাম্মদ শফিক মিয়া এমপি আবদুর রহমান বদির সঙ্গে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে লড়তে চান এমপি পদে।
মোহাম্মদ শফিক মিয়া বলেছেন- ‘এমপি বদি ইয়াবা বন্ধ করতে পারেননি। কেননা তিনি এবং তাঁর পরিবারের ২০/২৫ জন সদস্যসহ এ কারবারে জড়িত বলেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত হয়েছেন। তবে আমার পরিবারের কেউ কারবারে জড়িত নেই বলেই আমি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পারছি।’
অপরদিকে উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও হলদিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহ আলমও এমপি আবদুর রহমান বদির সঙ্গে ওপেন চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেছেন, তিনি সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা পাচার বন্ধ করবেন।
১৯৭১ সালের ২৫ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলের প্রথম শহীদ মেধাবী ছাত্র এ টি এম জাফর আলম ও বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের কনিষ্ট ভাই মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন- ‘আমার পরিবারের কোনো সদস্য মাদকের সঙ্গে জড়িত নেই। তাই আমি বুক ফুলিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে লড়ার অঙ্গীকার করছি।’
প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে ২৭ জন আওয়ামী লীগ দলীয় তৃণমূল নেতা ইয়াবার গেইটওয়ে হিসাবে পরিচিত মিয়ানমার-বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী সংসদীয় আসন উখিয়া-টেকনাফে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে ফরম নিয়েছেন। তন্মধ্যে ১০ জনের মতো রয়েছেন এমপি বদির নেয়া ফরম পূরণ করে ডামি প্রার্থী হতে চান।
