টেকনাফ টুডে ডেস্ক : ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস। ১৯৯৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিক রক্তদান দিবস পালিত হয়। ২০০৫ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা এ দিবস পালনের উদ্যোগ নেয়। মূলত নিরাপদ রক্ত নিশ্চিতকরণ ও স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের উৎসাহ করতেই বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে দিবসটি।
রক্তদানকে উৎসাহিত করা এবং রক্তদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের লক্ষ্যে প্রতি বছর রক্তদাতা দিবস উদযাপিত হয়। এই উপলক্ষে সারা বিশ্বে মানুষকে অনুপ্রাণিত করা হয়, যেন রক্তের অভাবে কোনো রোগীর মৃত্যু না হয়।
এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে— ‘গিভ ব্লাড, গিভ প্ল্যাজমা, শেয়ার লাইফ, শেয়ার অফেন’। অর্থাৎ বাংলায় — ‘রক্ত দান করুন, প্লাজমা দান করুন, জীবন ভোগ করুন, অধিকাংশ শেয়ার দিন।’ আন্তর্জাতিকভাবে এ বছর বিশ্ব রক্তদাতা দিবসের বিশ্বব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজক দেশ আলজেরিয়া।
রক্তের বিভিন্ন গ্রুপের আবিষ্কারক ও ট্রান্সফিউশন মেডিসিনের জনক অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত নোবেল বিজয়ী জীববিজ্ঞানী ও চিকিত্সক কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার ১৮৬৮ সালের ১৪ জুন জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯০০ সালে ব্লাড গ্রুপ আবিষ্কার করেন। তার এই অবদানের জন্য ১৯৩০ সালে নোবেল পুরস্কার পান । জন্মদিনে তাকে স্মরণ ও শ্রদ্ধা জানাতে এইদিনে উদযাপন করা হয় ‘বিশ্ব রক্তদান দিবস’।
সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে। দেশে রক্তের চাহিদা পূরণে স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে থাকছে নানা কর্মসূচি।
