শামীম ইকবাল চৌধুরী : নাইক্ষ্যংছড়িতে হোম কোয়েনটেইনে থাকা ইউএনওসহ ৯জনের বিভিন্ন মেয়াদে মুক্তি পাচ্ছেন আজ শনিবার। এরা সবাই দীর্ঘ ১৪দিনের বেশি সময় হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিল। এসময় তাদের শরীরে কোন করোনাভাইরাসের জীবানুর লক্ষন ধরা না পরায় তারা মুক্ত হচ্ছে । ইউ,এন,ওসহ অন্যান্যদের মধ্যে সৌদিয়া, দুবাই, ওমান, মালেশিয়া, ভারত ও মিশর ফেরত প্রবাসী লোকজন রয়েছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবু জাফর মো,ছলিম শুক্রবার (৩ এপ্রিল ) সন্ধ্যায় এ তথ্যটি নিশ্চিত করে তিনি জানান,উপজেলার ৫ ইউনিয়নের মধ্যে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর,বাইশারী ও ঘুমধুম ইউনিয়নে ২৪ জন তালিকাভূক্ত বিদেশ ফেরত ছিলো হোম কোয়েনটেইনে। তারা নিজ এলাকায় প্রবেশ করেছে বিভিন্ন মেয়াদে। কারো এলাকায় প্রবেশ করায় ১৪দিন অতিক্রম হয়ে গেছে আর কারো ১৪দিন হয়নি। যাদের ১৪দিন হয়নি তাদেরকে ১৪দিন হোম কোয়েনটেইনে থাকার নির্দেশ প্রদান করেন উপজেলা প্রশাসন।
তবে কক্সবাজারে গত ৮ মার্চ সৌদিয়া থেকে ওমরা পালনের শেষে দেশে ফেরত আসা এক নারী করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছিলো ।ওই সনাক্ত হওয়া নারীকে সনাক্ত হওয়ার আগে থেকে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন বর্তমান নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বামী ডা: মো, ইউনুছ। করোনা সনাক্ত হওয়ার আগে ডা: মো,ইউনুছ নাইক্ষ্যংছড়িতে আসা যাওয়ায় ছিলো বিধায়
নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া আফরিন কচি স্বেচ্ছায় হোম কোয়েনটেইনে চলে যান। আর ওই দিকে করোনা সন্দহে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে স্বেচ্ছায় আইসোলেশনে ভর্তি হন ডা:মো,ইউনুছ। তাদের দুই জনের কোভিড-১৯ সংক্রমণ জীবাণু পরীক্ষার রির্পোট নেগেটিভ হওয়াতে সন্দেহ দূর হয়। তারা দুই জনেই সুস্থে আছে।
কক্সবাজারের করোনা সনাক্ত নারী রোগীটির পরবর্তী রির্পোটে করোনা রোগি নয় বলে জানাযায়।
তবে এপর্যন্ত নাইক্ষ্যংছড়ির পাঁচ ইউনিয়নের কোথাও করোনাভাইরাসে সংক্রামিত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
