টেকনাফ টুডে ডেস্ক : প্রথম টি ২০ ম্যাচ শেষ ওভারে এমন নাটকীয় রূপ নেবে, ভাবতে পারেননি কেউ। সপ্তম বোলার হিসাবে আসা করিম জানাতও কল্পনা করতে পারেননি যে, তিনি হ্যাটট্রিক করে ফেলবেন।
বাংলাদেশের জয়ের নায়ক তাওহিদ হৃদয় অপরপ্রান্তে দাঁড়িয়ে সতীর্থদের আসা-যাওয়া দেখেছেন। শেষ পর্যন্ত শরীফুল ইসলামের চারে জয় ধরা দেয়। শুক্রবার শেষ ওভারে রোমাঞ্চকর জয়ে বাংলাদেশ স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছেড়েছে।
দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০তে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশের সামনে আজ সিরিজ জয়ের হাতছানি। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি ২০ ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টায়।
দুই ম্যাচের মধ্যে ব্যবধান একদিনের। শনিবার বাংলাদেশ দলের অনুশীলন ছিল না। আফগানরা ঐচ্ছিক অনুশীলন করেছেন। নিজেদের মতো করে সময় কাটিয়েছেন বাংলাদেশ দলের কেউ কেউ। শরীফুর কাল রাতারগুল বনে বেড়াতে গিয়েছিলেন। বিশ্রামে দিনটি কাটিয়েছেন তারা। প্রথম ম্যাচটি শেষ হয় তুমুল লড়াইয়ের পর। ওয়ানডে সিরিজ ১-২ ব্যবধানে হারলেও টি ২০ সিরিজে যে হারছে না বাংলাদেশ, এটা নিশ্চিত। বাংলাদেশের লক্ষ্য সিরিজ জয়। আর আফগানিস্তানের চাওয়া সিরিজে সমতা আনা। প্রথম ম্যাচে অসাধারণ ইনিংসের পর তাওহিদ হৃদয় বলেন, ‘আমরা ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করেছি। সবসময় একটি ব্যাপার মাথায় ছিল যে, পরিস্থিতি যা-ই হোক, আমরা জেতার জন্যই খেলব।’
প্রথম টি ২০ ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক যদি হৃদয় হন, তাহলে সহনায়ক শামীম হোসেন। প্রবল চাপের মুখে বাউন্ডারি মেরে শেষ আঁচড় দেন শরীফুল। এই তিনটি নাম এক জায়গায় করলে অনেকের চোখের সামনে মধুর স্মৃতি ভেসে ওঠার কথা।
তিনজনই বাংলাদেশ যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য। তিনজনই এর আগে একক নৈপুণ্যে জাতীয় দলকে জয়ের আনন্দে ভাসিয়েছেন। কিন্তু প্রবল চাপের মুখে, ম্যাচ থেকে ছিটকে যাওয়ার অবস্থা থেকে কীভাবে দলকে জেতাতে হয়, সেটা নতুন করে দেখালেন তারা। হৃদয় ধারাবাহিকতার প্রমাণ দিতে শুরু করেছেন। তাকে নিয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপে বড় স্বপ্ন দেখতেই পারে বাংলাদেশ।
