অভিরাম বর্ষণে চকরিয়া বদরখালী-মহেশখালী সড়কের বাটাখালী সেতুর এপ্রোচ অংশে ভাঙ্গন

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

নিজস্ব প্রতিবেদক : অভিরাম বর্ষণে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার চিরিঙ্গা-বদরখালী-মহেশখালী সড়কের বাটাখালী সেতুর পশ্চিমপয়েন্টের এপ্রোচ অংশে মাটি সরে গিয়ে ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এ অবস্থার কারণে বর্তমানে সেতুটি দিয়ে সবধরণের যানচলাচল চরম ঝুঁকিপুর্ণ হয়ে উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, সড়ক বিভাগের লোকজন এটি দ্রæত মেরামতে উদ্যোগ নিচ্ছেনা। এ অবস্থার কারণে প্রায় প্রতিদিন যানবাহন চলাচলে সেতুটিতে লেগে থাকছে যানজট
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহসিন বাবুল। তিনি বলেন, চকরিয়া উপজেলার চিরিঙ্গা-বদরখালী-মহেশখালী সড়কের বাটাখালী সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে চার বছর আগে। সম্প্রতিসময়ে অভিরাম ভারী বর্ষণে সেতুর উপর থেকে গড়িয়েপড়া পানি এপ্রোচ অংশে পড়ে মাটি সরে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, এপ্রোচ অংশ থেকে মাটি সরে গিয়ে বর্তমানে সেখানে ভয়াবহ ভাঙ্গনে বড় আকারের গর্ত তৈরী হয়েছে। এ অবস্থার কারণে সেতুটি দিয়ে সবধরণের যানবাহন ও জনসাধারণের অবাদ চলাচল ঝুঁিকতে ঝুঁকিতে পড়েছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসন ও সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদেরকে জানানো হয়েছে।
চকরিয়া কেবি জালাল উদ্দিন সড়ক যানবাহন মালিক সমিতির কর্মকর্তা বলেছেন, সেতুর এপ্রোচ অংশ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে প্রায় দুইমাস আগে থেকে। তবে গেল চারদিনের অভিরাম ভারী বর্ষণে মাটি সরে যাবার মাত্রা বেড়েছে। এতে এপ্রোচ অংশে তৈরি হয়েছে বড় গর্ত। বর্তমানে ওই গর্তের কারণে সেতুটি দিয়ে যানচলাচল ঝুকিঁ হয়ে উঠেছে।
মালিক সমিতির কর্মকর্তাদের অভিযোগ, এপ্রোচ অংশের মাটি সরে গিয়ে ভাঙ্গনের সৃষ্টি হলেও সড়ক বিভাগের লোকজন এটি মেরামতে উদ্যোগ নিচ্ছেনা। এ অবস্থার কারণে প্রায় প্রতিদিন যানবাহন চলাচলে সেতুটিতে লেগে থাকছে যানজট। দিনের বেলায় কোনমতে দেখে দেখে চলাচল করলেও রাতে বেলায় অতি সাবধনতায় চালাতে হয় গাড়ি। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে।
সড়কের একাধিক চালক দাবি করেন, পুরাতন চালকরা সাবধানতা অবলম্বন করে গাড়ি চালাতে পাররেও অন্য এলাকার নতুন কোন চালক গাড়ি নিয়ে ঢুকলে সৃষ্টি হওয়া গর্তে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। চালকরা বলেছেন, সেতুটি দিয়ে মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যূৎ প্রকল্প ও গভীর সমূদ্র বন্দর নির্মাণের কাজ নিয়োজিত বাহির থেকে আগত অনেক পন্যবাহি যানবাহন চলাচল করছে। ফলে এসব যানবাহনের চালকরা এপ্রোচ অংশের গর্তের বিষয়টি না জেরে যেকোন দুর্ঘটনায় পড়তে পারেন।
বিষয়টি প্রসঙ্গে কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের চকরিয়া উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রাশেদ বিন মঞ্জু বলেন, বাটাখালী সেতুর এপ্রোচ অংশের মাটি সরে যাওয়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। দ্রৃতসময়ে এপ্রোচ অংশের মাটি ভরাটের মাধ্যমে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ##