ডেস্ক নিউজ :
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসে সামনে অভিযান চালিয়ে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে ও পৃথক অভিযানে লোহাগাড়ার চরম্বা ইউনিয়নের রাজঘাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০ লিটার চোলাই মদসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কারও জব্দ করা হয়।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চার মাদক ব্যবসায়ীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতার চার মাদক ব্যবসায়ী হলেন- টেকনাফ ইসলামাবাদ এলাকার আলী আহমদের ছেলে মো. ইব্রাহিম (২২), সদর উপজেলার ইসলামপুর এলাকার মো. রশিদ আহমদের ছেলে মো. জাহেদ হোসেন (২২), ঢাকা ভাটারা থানাধীন ছোলমাইদ পূর্বপাড়া এলাকার মো. মহির উদ্দিনের ছেলে মো. মনির হোসেন (৩২) ও লোহাগাড়া উপজেলার পশ্চিম কলাউজান এলাকার চাচী রাম কান্তি নাথের ছেলে সজীব কান্তি নাথ (৩০)।
এদের মধ্যে সজীব কান্তি নাথকে ২০ লিটার চোলাই মদসহ চরম্বা ইউনিয়নের রাজঘাটা এলাকা থেকে ও বাকি তিনজনকে চুনতি ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসের সামনে থেকে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।
চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসে সামনে অভিযান চালিয়ে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে ও পৃথক অভিযানে লোহাগাড়ার চরম্বা ইউনিয়নের রাজঘাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০ লিটার চোলাই মদসহ একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কারও জব্দ করা হয়েছে। পৃথক দুটি মামলা দায়েরের পর তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে কৌশলে প্রাইভেট কারে করে ইয়াবা নিয়ে আসা হচ্ছিল। এসব ইয়াবা ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আমাদের নিয়মিত চেকপোস্ট ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টেকনাফ পৌরসভার ইসলামাবাদ এলাকার শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেটগুলো বহু অভিযানের পরও বহাল তবিয়তে রয়েছে। নানা পেশার আড়ালে ও কতিপয় জনপ্রতিনিধির পৃষ্টপোষকতায় আলি আহমদের ছেলে ইব্রাহিম সিন্ডিকেট সহ অন্য সিন্ডিকেট গুলো বহাল তবিয়তে মাদক বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ বরখাস্ত ওসি প্রদীপের আশির্বাদ ও সখ্যতার কারনে
এই এলাকায় তেমন একটা অভিযান পরিচালিত হতো না।
