অনুসন্ধানী প্রতিবেদন-টেকনাফ সীমান্তে বেঙের ছাতার ন্যায় গজে উঠেছে ফার্মেসী ব্যবসা : প্রতারিত হচ্ছে ভোক্তারা

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৮ years ago

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী : টেকনাফ সীমান্ত পৌর শহরসহ ইউনিয়নে বেঙের ছাতার ন্যায়, লাগামহীনভাবে গজে উঠেছে, ঔষধ প্রতিষ্ঠান ফার্মেসী ব্যবসা। যার অধিকাংশ ফার্মেসীর ড্রাগ লাইসেন্স নেই। টেকনাফের মাধ্যমে এসব ফার্মেসী বৈধ ফার্মেসীর ন্যায় চলছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, টেকনাফ উপজেলার পৌরসভাসহ হোয়াইক্যং হ্নীলা, টেকনাফ সদর ও সাবরাং ইউনিয়নের অলিতে গলিতে এবং যেখানে সেখানে বেঙের ছাতার ন্যায় গজে উঠেছে, ঔষধ প্রতিষ্টান নামে ফার্মেসী ব্যবসা। ড্রাগ লাইসেন্স এর শর্তানুযায়ী ফার্মাসিষ্ট ছাড়া ফার্মেসীর ঔষধ ভোক্তাদের বিক্রির বিধি নিষেধ থাকলেও এ নিয়ম প্রায় ফার্মেসীর মালিকেরা মানছেনা। এটি শুধু কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ বাস্তবে প্রয়োগ বলতে নেই। সরেজমিন পরিদর্শন করে এসব তথ্য জানা গেছে। তথ্যানুযায়ী,ঔষধের অপর নাম বিষ এবং প্রতিটি ফার্মেসীতে বিষ শব্দটি লেখা থাকে। কোন ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে মানুষের প্রাণহানী ও ঘটে থাকে। ঔষধের অপপ্রয়োগও ঘটে যেতে পারে মানুষের মূল্যবান জীবনে স্বাস্থ্যগত নানা ক্রটি বিচ্ছুটি। অন্যদিকে ঔষধ মানুষের রোগ বালাই দুর করে। ঔষুধের অপর নাম জীবন ও বটে। অনেক ঔষধ জীবন রক্ষাকারী ও লক্ষণীয় যে, কিছু অসৎ অর্থলোভী ফার্মেসীর মালিক মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রি করছে। মানুষের শিক্ষা এবং অসচেতনতাকে পুঁজি করে জগণ্য অপরাধমূলক এ কান্ডটি করে যাচ্ছে, ফার্মেসির মালিকরা। ঔষধের দোকানে ফার্মাসিষ্টের মাধ্যমে ঔষধ বিক্রি করার বিধান থাকলেও এ বিধান অনেকেই মানছেনা। অধিকাংশ ফার্মেসী পরিচালিত হচ্ছে, ফার্মাসিষ্ট ছাড়া অশিক্ষিত অর্ধশিক্ষিত লোকজন দিয়ে। এদের ভূলচিকিৎসায় প্রায় রোগী অকালে মারা যাচ্ছে। এছাড়া প্রায় ফার্মেসীতে হাতুড়ে ডাক্তার সরকারী (এম,বি,বি,এস) ডাক্তারের ন্যায় চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে রোগীদের। যাদের চিকিৎসা সনদ না থাকলেও ফার্মেসীর সামনে সাইন বোর্ডে ও ব্যবস্থাপত্রে ডাঃ শব্দ এবং বিভিন্ন যোগ্যতা ও দক্ষতা প্রদর্শন পূর্বক রোগীদের মনোনিবেশ করে চিকিৎসা সেবার নামে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। টেকনাফ সীমান্তে কি পরিমান ফার্মেসী রয়েছে তার সঠিক তথ্য না জানলেও এক সমিক্ষায় জানা যায়, এর সংখ্যা হাজারের চেয়ে বেশী। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টেকনাফে প্রায় ফার্মেসীতে ঔষধের দাম বেশী। ভোক্তাদের নিস্মমান ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ ধরিয়ে দেয়। প্রায় ৭০টির মতো বিভিন্ন ্ঔষধ কোম্পানী রয়েছে। এসব ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধি গোটা টেকনাফে চষে বেড়াচ্ছে। সরকারী ডাক্তারদের আকৃষ্ঠ করতে মাস শেষে মোটা অংকের হাম ধরিয়ে দিয়ে অচল ঔষধ স্বচল করতে ওরা মরিয়া হয়ে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, টেকনাফ বেঙের ছাতার ন্যায় ফার্মেসী গড়ার নেপথ্যে রয়েছে মিয়ানমারের ঔষধ পাচার করা এবং সে দেশের সীমান্ত এলাকায় এর চাহিদা মেঠানো হচ্ছে একমাত্র উদ্দেশ্য।