মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম : হ্নীলায় ইয়াবা আসক্ত ও খুচরা বিক্রেতা স্বামীর অব্যাহত নির্যাতন ও উৎপাতে দুই বউ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
উপজেলার হ্নীলা দক্ষিণ-পশ্চিম লেদার শিয়াইল্যাঘোনার নুরুল ইসলামের পুত্র আবুল হোছন প্রথম স্ত্রী ছেনুয়ারা এবং ২য় স্ত্রী রোহিঙ্গা নুর হাওয়াকে বিয়ে করে সংসার করে আসছে। তাদের দুই মহিলার কোলে একজন করে সন্তানের আগমন ঘটে। বিগত ২০১৮সালে ৫শ পিস ইয়াবা নিয়ে আটক হয় আবুল হোছন। দুই স্ত্রী মিলে স্বামীকে টাকা-পয়সার বিনিময়ে জামিনে নিয়ে আসে ২০১৯ সালের জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে। এই মামলায় অতিরিক্ত খরচের ১০হাজার টাকার হিসেবে দিতে না পারায় ৮ মার্চ সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত দফায় দফায় ২য় স্ত্রী নুর হাওয়াকে মারধরে করে রক্তাক্ত করে। রাতে প্রতিবেশীরা নিরুপায় হয়ে জড়ো হয়ে উক্ত স্বামীর কবলে রক্তাক্ত হওয়া ২য় স্ত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। উল্লেখ্য এই আবুল হোছন, গত ১৬ ফেব্রæয়ারী প্রথম স্ত্রী ছেনোয়ার বেগমকে প্রহার করে অজ্ঞান করে ফেলে রাখে।
আবুল হোছন প্রতিবেশী ইয়াবা কারবারীদের ইয়াবার চালান বহন করতে গিয়েই ক্রমেই সেবী ও খুচরা বিক্রেতা হয়ে উঠে। এখন ইয়াবা সেবনের টাকা না পেয়ে স্ত্রীদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে বলে আহত স্ত্রীরা জানায়।
উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় এই ধরনের মাদকাসক্ত স্বামী ও ছেলেদের যন্ত্রনায় অভিভাবক এবং স্ত্রীরা চরম অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে। প্রত্যন্ত এলাকার পাইকারী মাদক ব্যবসায়ীদের দমনের পাশাপাশি এসব খুচরা মাদকসেবী ও বিক্রেতার আইনের আওতায় আনা দরকার বলে সচেতন মহল মনে করেন।
