সেন্টমার্টিন দ্বীপে আটকেপড়া পর্যটকেরা ফিরে এসেছে

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৩ years ago

জাকারিয়া আলফাজ : বৈরী আবহাওয়ায় সেন্ট মার্টিন দ্বীপে আটকা পড়া এক হাজারের বেশি পর্যটককে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আটকা পড়া এসব পর্যটক শনিবার (১৮ মার্চ) সকালে সেন্ট মার্টিনে যায়। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে রবিবার টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে উপজেলা প্রশাসন। এতে দ্বীপে আটকা পড়ে হাজারের বেশি পর্যটক।

আজ সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আটকা পড়া এসব পর্যটককে নিয়ে পর্যটকবাহী তিনটি জাহাজ টেকনাফ দমদমিয়া জাহাজ ঘাটে পৌঁছয়। সকালে ওই তিনটি জাহাজে প্রায় ২৫০ জন পর্যটক সেন্ট মার্টিন বেড়াতে যায়।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, সেন্ট মার্টিনে এ মুহূর্তে আর কোনো পর্যটক আটকা নেই। শনিবার সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে গিয়ে যেসব পর্যটক আটকা পড়েছিল তাদেরকে আজ (সোমবার) তাদের ফিরিয়ে আনা হয়। আটকা পড়া পর্যটকদের নিয়ে তিন জাহাজ সন্ধ্যা ঘাটে পৌঁছে। দমকা হাওয়া বা আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকলে পর্যটকবাহী জাহাজগুলোর সেন্ট মার্টিন যাওয়ার অনুমতি বন্ধ থাকবে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডাব্লিউটিএ) টেকনাফ অঞ্চলের ট্রাফিক সুপারভাইজার জহির উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, সোমবার সকালে বৈরী আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন রুটে জাহাজ চলাচল শুরু হয়। এতে টেকনাফ থেকে পর্যটকবাহী তিনটি জাহাজে করে প্রায় ২৫০ পর্যটক দ্বীপে পৌঁছয়। আবার এসব জাহাজ ফেরার সময় আটকা পড়া হাজারখানেক পর্যটক নিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দমদমিয়া জাহাজ ঘাটে ফিরে আসে।

সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, এক দিন পর জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। তিনটি জাহাজে করে দুই থেকে তিন শ পর্যটক দ্বীপে বেড়াতে এসেছে। অনেকে রাত্রী যাপন করবে।

পর্যটকবাহী জাহাজ কেয়ারি সিন্দবাদের টেকনাফের ব্যবস্থাপক শাহ আলম বলেন, বৈরী আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকায় তাদের জাহাজে করে ৬৪ জন পর্যটক দ্বীপে বেড়াতে যায়। জাহাজ ফেরার পথে আটকা পড়া পর্যটকদের নিয়ে আসা হয়।