বিশেষ প্রতিবেদক : হ্নীলার লেদায় পারিবারিক তুচ্ছ বিষয় নিয়ে পিতা-পুত্ররা মিলে চাচাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছে। এই ঘটনায় আহত ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পরও চিহ্নিত মাদক কারবারীদের অব্যাহত হুমকিতে হ্নীলা হাইস্কুলে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্র প্রাণনাশের হুমকিতে রয়েছে বলে দাবী করেন। ঐ স্কুল ছাত্র নিরাপত্তার স্বার্থে আইন-শৃংখলা বাহিনীর সহায়তা কামনা করেছেন।
২১মার্চ দুপুরে হ্নীলা হাইস্কুলের নবম শ্রেণীতে পড়–য়া পশ্চিম লেদা শিয়াইল্যাঘোনার জাগির হোছনের পুত্র হুমায়ুন ইসলাম তামিম জানায়,এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারী ও মাদক মামলার আসামী স্থানীয় আব্দুর রশিদের পুত্র মুহাম্মদ জুবাইর ওরফে চিটার জুবাইর এবং মোহাম্মদ আলম ওরফে গুটি বাবুল হুমায়ুন ও তার ছোট ভাইকে প্রানে মারার জন্য প্রকাশ্যে হুমকি-ধমকি নিয়ে বেড়াচ্ছে। আমরা অসহায় ও নিরুপায় বিধায় মাথা নিচু করে চলে আসি।
এই প্রাণনাশের হুমকির কারণ হিসেবে গত ১৪ মার্চ রাত সাড়ে ৮টারদিকে একই এলাকার মৃত হামিদ আলীর পুত্র আব্দুর রশিদ, তার দুই পুত্র জুবাইর, বাবুল, মেয়ে রাবেয়া বসরী ও স্ত্রী হাছিনা বেগমের সাথে হুমায়ুনের পিতা এবং মৃত হামিদ আলীর পুত্র জাগির হোছনের সাথে পারিবারিক একটি বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। এসময় হুমায়ুন বাড়িতে এসাইনমেন্ট লিখছিল। কিছুক্ষণ পর টিনের শব্দ শুনা গেলে সে বের হয়ে তার বাবা ও জেঠার মধ্যে কথা কাটাকাটি চলছিল। তখন তাদের অপর ছোট ভাইয়েরা এসে তাদের থামিয়ে দিলে অন্যরা যার যার মতো চলে গেলেও রশিদ এবং জাগির হোছন ঘটনাস্থলে রয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর বাড়ির টিনের ঘেরা ভাংচুরের শব্দ শুনে সবাই বের হয়ে দেখে উপরোক্ত সংঘবদ্ধ হয়ে জাগির হোছনকে মারধর করছে। এক পর্যায়ে আব্দুর রশিদের পুত্র জুবাইর ও বাবুল কিরিচ এনে জাগির হোছনকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এসময় বাবাকে বাঁচাতে গেলে হুমায়ুন ও তার ছোট ভাই তাদের হাতে প্রহৃত হয়। তখন খুব চিৎকার ও কান্নাকাটির শব্দ হলে তারা দ্রæত ঘটনাস্থল হতে চলে যায়।
এরপর রক্তাক্ত জাগিরকে উদ্ধার করে স্থানীয় ক্যাম্প হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে রেফার করা হয়। এখনো জাগির হোছন চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এদিকে স্কুল পড়–য়া হুমায়ুন পিতার উপর এই ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিশোধ নেবে এমন আশংকা থেকে সে ও তার ভাই মারার জন্য বিভিন্ন প্রকারের হুমকি-ধমকি নিয়ে বেড়াচ্ছে। সে তাদের ভয়ে লুকোচুরির মতো করে স্কুলে আসা-যাওয়া করছে। ওরা যেহেতু মাদক কারবারী এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসী তাই যেকোন মুর্হুতে স্কুল ছাত্র হুমায়ুনের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে প্রাণনাশ করতে পারে বলে আশংকা করছে। এখন অসহায় এই স্কুল ছাত্র মিডিয়ার মাধ্যমে আইন-শৃংখলা বাহিনীর নিকট নিরাপত্তা দাবী করছে। ###
