মালুমঘাটে বনভুমিতে পিকনিক প্যান্ডেল তৈরিতে বাঁধা দেয়ায় হামলা, মারপিটে চার বনকর্মী আহত : ফাঁকা গুলিবর্ষণ

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ২ years ago

এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া :
চকরিয়া উপজেলার সরকারি বনভূমিতে পিকনিকের প্যান্ডেল তৈরির নামে জায়গা জবরদখল চেষ্টার সময় বাঁধা দেওয়া নিয়ে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার (৮ নভেম্বর)  সকাল সাড়ে দশটায় কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাটস্থ ফাসিয়াখালী রেঞ্জের অধীন বনাঞ্চলের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। এসময় হামলায় বনবিট কর্মকর্তাসহ চার বনকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। ভাংচুর করা হয়েছে একটি মোটর সাইকেল। গতকাল রাতে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বনবিভাগের ফাসিয়াখালী রেঞ্জ অফিসার।
ফাসিয়াখালী রেঞ্জ অফিসার মেহেরাজ উদ্দিন বলেন,  গতকাল সকালে হঠাৎ করে চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাটস্থ ফাসিয়াখালী বন রেঞ্জের বনভুমির বীজতলার জায়গা (নার্সারী) দখল করে স্থানীয় একটি চক্র সেখানে  পিকনিকের জন্য প্যান্ডেল তৈরীর কাজ শুরু করে। ওইসময় খবর পেয়ে ডুলাহাজারা বনবিট কর্মকর্তা আবুল কালাম তাঁর অধীনস্থ বনকর্মী, হেডম্যান ও ভিলেজারদের সঙ্গে নিয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্যান্ডেল তৈরির কাজে বাঁধা দেন।
এসময় প্যান্ডেল তৈরির নামে বনভূমি জবরদখল চেষ্টায় নারীসহ মিলে অন্তত ৪০/৫০ জনের একটি দখলবাজ চক্র বাধাদানকারী বনকর্মীদের চারদিক থেকে ঘিরে ধরে মারপিট শুরু করে। ওইসময় বনকর্মীরা উদ্ভুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলা ও নিজেদের আত্মরক্ষায় ৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে।
রেঞ্জ অফিসার মেহেরাজ উদ্দিন আরও বলেন, বনদুস্য চক্রের হামলা ও মারপিটে ডুলাহাজারা বনবিট কর্মকর্তা আবুল কালাম, ফরেস্ট এফজি সুর্য বাবু, হাবিবুর রহমান, হেড়ম্যান আবদুল গনি গুরুতর আহত হয়েছে। তাদেরকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। হামলার সময় বনবিভাগের হেডম্যান আবদুল গনির একটি মোটর সাইকেল ভাংচুর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত হামলাকারীদের পরিচয় সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এরপর তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন রেঞ্জ অফিসার মেহেরাজ উদ্দিন।