নিজস্ব প্রতিনিধি : চকরিয়ায় চলন্ত মোটর সাইকেলের উপর কুপিয়ে মো. এমরানুল হক (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ীর হাত-পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়েছে। এসময় তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট করেছে দুবৃর্ত্তরা। হামলার সময় তার মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতরভাবে জখম করা হয়েছে। সোমবার (২৯ মে) দিবাগত রাত ১২টার দিকে চকরিয়া-বদরখালী সড়কের সাহারবিল ইউনিয়নের বাটাখালী ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত মো. এমরানুল হক চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাইজঘোনা এলাকার মৃত হাজী শামসুল আলমের ছেলে।
আহতের ভগ্নিপতি ও চকরিয়া উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আমির হোসেন আমু বলেন, এমরানুল হক একজন ব্যবসায়ী। সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে তিনি পৌরশহর চিরিংগা থেকে ব্যবসায়িক টাকা উত্তোলন করে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। মোটরসাইকেলটি বাটাখালী ব্রিজ এলাকায় পৌঁছলে আগে থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে ওঁৎ পেতে থাকা ৪-৫ জন দুবৃর্ত্ত তার গতিরোধ করে। এসময় সে তাদের কথা না শুনে মোটরসাইকেল নিয়ে দ্রুতগতিতে চলে যেতে চাইলে সন্ত্রাসীরা পিছন থেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করে। এতে সে সড়কে পড়ে যায়।
হামলার সময় তাকে মাথায়, হাতে ও পায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে এবং তার সাথে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল নিয়ে দুবৃর্ত্তরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে এসময় স্থানীয় লোকজন এসে ঘটনাস্থল তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে রাতেই চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সে জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। বিষয়টি চকরিয়া থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, মোটর সাইকেল আরোহী ব্যবসায়ীর উপর হামলার ঘটনা শুনে পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহত ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তিনি আরও বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবশ্য পুলিশ ঘটনায় জড়িত দুবৃর্ত্তদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। ##
