ফরিদুল আলম : হ্নীলায় পাহাড়ি জনপদে শ্বাশুড় বাড়িতে পারিবারিক কলহের জেরধরে মূমুর্ষ জামাইয়ের হাসপাতালে মৃত্যু ঘটেছে। রহস্যজনক এই মৃত্যু নিয়ে জনমনে নানা ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
জানা যায়,গত ৩০সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টারদিকে উপজেলার হ্নীলা ১নং ওয়ার্ড খন্ডকাটা গ্রামের বজল আহমদের মেয়ে সেলিনার স্বামী ও প্রতিবেশী উলা মিয়ার পুত্র কামাল হোসেন ক্ষুধার্ত অবস্থায় পাহাড় থেকে এসে স্ত্রীকে ভাত দিতে বলে। তা নিয়ে দুজনার মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। এসময় শ্বাশুড় বাড়ি পক্ষের লোকজনের হামলায় সে মারা গেছে বলে মনে করে তার মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে বিষ পান করেছে প্রচার করে। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে।
মৃত কামাল হোসেনকে কাপন পড়ানো ব্যক্তি জানান, মৃত কামালের শরীরের পেট ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এই কামাল হোসেনের ১ম স্ত্রীর ঘরে ৪জন ছেলে-মেয়ে রয়েছে। সে মারা যাওয়ার সেলিনা বিয়ে করে। তাদের সংসারে একজন শিশু রয়েছে। নিহতের বোন জানায়, প্রায় সময় তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। বেশ কিছুদিন সে আরেক ভাইয়ের বাড়িতে চলে আসে। গত দুমাস আগে তাকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। আমার ভাইকে খুন করা হয়েছে। আমরা এই নৃশংস ঘটনার সুবিচার চাই।
আজ ১লা অক্টোবর সন্ধ্যায় পোস্টমর্টেম শেষে মৃতদেহ বাড়িতে এনে বাদে মাগরিব স্থানীয় গোরস্থানে জানাজা শেষে দাফন করা হয়।
স্থানীয় মেম্বার বশির আহমদ জানান,পারিবারিক কলহের জেরধরে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় বলে শুনেছি। এই ব্যাপারে কারো অভিযোগ থাকলে পোস্টমর্টেম রিপোর্টে এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে মনে করেন। ###
