চাঁদাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগে আরো এক ভুঁয়া সাংবাদিক আটক

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

ডেস্ক নিউজ :

ইয়াবা ব্যবসাকে আড়াল করতে টাকার বিনিময়ে অনলাইন টিভি ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংবাদকর্মী পরিচয়ে চাঁদাবাজি, সাধারণ মানুষকে হুমকি,প্রতারণাসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাখাওয়াত হোসেন প্রকাশ লিটনকে আটক করেছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। বুধবার দুপুরে কক্সবাজার শহরের বৈদ্যঘোনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

আটক সাখাওয়াত টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ শীলখালী চৌকিদার পাড়ার নুরুল কবির প্রকাশ বাদশা মিয়ার ছেলে।

এরআগে মঙ্গলবার রাতে কক্সবাজার শহরের সমিতিপাড়ায় নিরীহ মানুষকে ইয়াবা ব্যবসায়ী বলে সংবাদ প্রকাশের হুমকি দিয়ে টাকা আদায় কালে জনরোষের শিকার হয়েছে সংবাদকর্মী নামধারী ৪ প্রতারক। তবে স্থানীয়রা জানান, গণধোলাই কালে সাখাওয়াত হোসেনসহ তিন চাঁদাবাজ কৌশলে পালালেও মনছুর আলম মুন্নাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে বিক্ষুব্ধ জনতা।

মঙ্গলবার রাত ৯ টায় এঘটনা ঘটেছে।
আটক সাখাওয়াত নিজেকে অনলাইন পল্লী টিভির প্রতিনিধি ও একটি অনলাইনের সাংবাদিক পরিচয়ে ব্যাপক চাঁদাবাজি করে আসছিল।

মঙ্গলবার রাত ৯ টায় এঘটনা ঘটেছে। আটক কথিত সংবাদ কর্মী মো মনছুর আলম মুন্না নিজেকে এমবি টিভির ক্যামেরাম্যান ও একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের জেলা প্রতিনিধি দাবী করেন।

রাতে এই চাঁদাবাজকে কক্সবাজার থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ কালে, সে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজি কথা স্বীকার করেন ও কয়েকজন তার গডফাদারের নাম প্রকাশ করেন, তবে পুলিশ তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম প্রকাশ করেনি।

টেকনাফ বাহারছড়া শীলখালীর চৌকিদার পাড়ার এলাকার বাসীন্দা ও কক্সবাজার শহরের বৈদ্যঘোনায় বসবাসকারী এই সাখাওয়া নিজেকে অনলাইন পল্লী টিভির জেলা প্রতিনিধি ও একটি অনলাইনের সহ-সম্পাদক পরিচয়ে দামী মোটরসাইকেল হাকিয়ে ব্যাপক চাঁদাবাজি করে আসছিল।

মনছুর আলম নামের আরেক চাঁদাবাজ এই সাখাওয়াত কে এই কাজে এনেছে। এসময় এদের সাথে আরো একজন সাংবাদিক নামধারী যুবক পালিয়ে যায়।

এলাকাবাসী জানান, ৫/৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে হুমকি দিয়ে টাকা আদায়ের ঘটনা ঘটিয়ে আসছিল।

বরাবরের মতো মঙ্গলবার (৯ মার্চ) বিকাল ৫ টার দিকে চাদাবাজি করতে গিয়ে কুতুবদিয়াপাড়া বাসীর রোষানলে পড়ে। জনতার ধাওয়া খেয়ে প্রথম দফায় চাঁদাবাজ দুই যুবক পালিয়ে রক্ষা পায়। পরে রাত ৯ টার চাঁদাবাজি করতে গিয়ে স্থানীয় জনতা তিনকে আটক করে গণ ধোলাই দেয়। কৌশলে ৩ জনই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

২০১৭ সালে কুমিল্লা জেলা পুলিশের হাতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক হয়েছিল শাখাওয়াত হোসেন লিটন নামের এই কথিত ভুয়া সাংবাদিক। যার মামলা নং-৬২/৫৮৩ জিআর।
পিতা-নুরুল কবির প্রঃ বাদশা। দক্ষিণ শিলখালী,বাহারছড়া-টেকনাফ।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মাসুম খান জানান, আটক মুন্না ও সাখাওয়াতের বিরুদ্ধে অপ-সাংবাদিকতার অভিযোগ রয়েছে। চাঁদাবাজি কালে জনগনের হাতে ধৃত ও গণপিটুনি শিকার হলে জনরোষ থেকে মুন্নাকে পুলিশ উদ্ধার করেন। ১১ মার্চ বুধবার দুপুরে আটক করা হয় সাখাওয়াতকে ।

তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান ওসি অপারেশন মাসুম খান।

তিনি আরো বলেন, অপ-সাংবাদিকতা রোধে ভুঁয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান।