বাহারছড়ায় ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে ষ্ট্যাম্প জব্দ রেখে চাঁদা দাবীর বিষয়ে থানায় অভিযোগ

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৯ years ago

নিজস্ব প্রতিবেদক॥
টেকনাফ বাহারছড়া ইউনিয়নের শীলখালী ৩নং ওয়ার্ড এর বর্তমান মেম্বারের বিরুদ্ধে ৩,৪৯০০০ টাকার একটি লিখিত ষ্ট্যাম্প জব্দ রেখে চাঁদা দাবীর অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে গত ২৬ এপ্রিল জাহেদা বেগম নামক এক মহিলা বাদী হয়ে উক্ত মেম্বার সহ ঘটনায় সংশ্লিষ্ঠ ৪ জনের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। জাহেদা বেগম জানান, তার স্বামীর বড়ভাই কবির আহাম্মদ স্ত্রী-সন্তান সহ অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন। এদিকে স্থানীয় টেকনাফ শীলখালী গ্রামের ছৈয়দুল্লাহর স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের সাথে কবির আহাম্মদের ভাই বোনের সম্পর্ক তৈরি হয়। কবির আহাম্মদ মরিয়ম খাতুনকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতাও করেন। গত ৩মাস পূর্বে কবির আহাম্মদের ছোট ভাই জাহেদা বেগমের স্বামী শাকের আহাম্মদকে একটি মাছ ধরার নৌকা কিনে দেয়ার জন্য মরিয়ম খাতুনের কাছে ইসলামী ব্যাংকের মাধমে ৩,৪৯০০০ (তিন লক্ষ উনপঞ্চাশ হাজার) টাকা পাঠান। মরিয়ম খাতুন নৌকা না কিনে টাকা গুলো দিয়ে তার এক সন্তানকে বিদেশ পাঠানেরা ব্যবস্থা করে। পরবর্তীতে কবির আহাম্মদের ভাই শাকের আলম মরিয়ম খাতুনের কাছ থেকে নৌকা সম্পর্কে জানতে চাইলে মরিয়ম কোন সদোত্তর দিতে পারেনি। পরবর্তীতে শাকের আলম ও তার স্ত্রী জাহেদা বেগম টাকাগুলোর জন্য মরিয়মের কাছে আসলে মরিয়ম সত্য কথা প্রকাশ করে এবং ৬মাসের মধ্যে টাকাগুলো পরিশোধ করার একটি ষ্ট্যাম্প করে। ষ্ট্যামটি কিনে আনে স্থানীয় শীলখালী গ্রামের দফাদার শামশু। ষ্ট্যাম্পটি করে স্থানীয় আবুল হোসাইনের পুত্র সোনালী মেম্বার কাছে জমা রাখে। পরে শাকের ও জাহেদা বেগম ষ্ট্যাম্পটি খুঁজলে সোনালী মেম্বার ১,৫০০০০ টাকা দাবী করে। জাহেদা প্রথমে মেম্বারকে ১০০০০টাকা দিয়েছিল। গত ১৫ এপ্রিল জাহেদা ষ্ট্যাম্প এর জন্য বাহারছড়া ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার আজিজুল ইসলামকে বিচার দেওয়ার জন্য আসলে খবর পেয়ে সোনালী মেম্বার বিচারস্থলে এসে জাহেদাকে লাঞ্চিত করে ও অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে।
জাহেদা বিষয়টি সম্পর্কে এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা চেয়ারম্যানকেও অবহিত করে বলে জানান। মোবাইলের কল রেকর্ডে সবঘটনা সেভ রয়েছে। জাহেদা এ ব্যাপরে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।