টেকনাফ টুডে ডেস্ক : কক্সবাজার জেলা পুলিশের ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চ (ডিবি) এক সাড়াশি অভিযান চালিয়ে ১লক্ষ ৯০ হাজার পিচ ইয়াবা, একটি মাইক্রোবাস, একজন রোহিঙ্গা সহ ২ জনকে আটক করেছে। কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) রেজওয়ান আহমেদ এর নেতৃত্ব রোববার ১ মার্চ দিবাগত সারারাত রামু উপজেলার চা বাগান বৌদ্ধ মন্দির রোডের জনৈক ফজলুল হক চৌধুরীর ভাড়া বাসায় এক অভিযান চালিয়ে ১ লক্ষ ৪০ হাজার পিচ ইয়াবা টেবলেট উদ্ধার ও সেখান থেকে আটককৃত ২ জন ইয়াবাকারবারীর স্বীকারোক্তি মতে একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি করে আরো ৫০ হাজার পিচ ইয়াবা টেবলেট উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি ডিবি’র ভারপ্রাপ্ত ওসি শেখ আশরাফুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওসি শেখ আশরাফুজ্জামান আরো জানান, আটককৃত ২ জন ইয়াবাকারবারীর একজন হলো, রোহিঙ্গা শরনার্থী। তার নাম নুরুল মোস্তফা, অপরজন কক্সবাজার শহরের কুতুবদিয়া পাড়ার সোনামিয়া। এ বিষয়ে ডিবি’র ইনস্পেকটর মিজানুর রহমান বাদী হয়ে সোমবার ২ মার্চ রামু থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর : ০১/২০২০ ইংরেজি। ইয়াবা বহনকারী মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়েছে। ডিবির ইন্সপেক্টর মামলার বাদী মিজানুর রহমান জানান, ইয়াবার গডফাদারদের নাম সহ আরো তথ্য জানতে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ড চাওয়া হবে।
রামু থানা কর্তৃপক্ষ সিবিএন-কে জানান, আসামী ২ জনকে কোর্ট ইন্সপেক্টরের মাধ্যমে বিকেলে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত আসামীদ্বয়কে চার্জ ওয়ারেন্ট মূলে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিলে তাদেরকে একইদিন সন্ধ্যায় কক্সবাজার জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) রেজওয়ান আহমেদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিরামহীন এই অভিযানে ডিবি’র ওসি মানষ বড়ুয়া, ডিবি’র ভারপ্রাপ্ত ওসি শেখ আশরাফুজ্জামান, ইন্সপেক্টর মিজানুর রহমান, জনি দেবদাশ সহ বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডিবির চৌকস একটি দল অংশ নেন।
এদিকে, সফল এই অভিযানে নেতৃত্বদানকারী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) রেজওয়ান আহমেদ বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত “জিরো টলারেন্স” নীতি অব্যাহত থাকবে এবং জেলা পুলিশের চলমান মাদক বিরোধী অভিযান আরো তীব্র থেকে তীব্রতর করা হবে। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আইনী কঠোর পদক্ষেপের পাশাপাশি বহুমুখী সামাজিক আন্দোলন ও গণসচেতনেতা গড়ে তোলা হবে ইনশাআল্লাহ।
সুত্র : সিবিএন।
