বিশেষ প্রতিবেদক : হ্নীলা চৌধুরী পাড়া ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মাদক কারবারী গডফাদারদের মাদকের চালান খালাসকারী মীর কাশেমকে আইসসহ গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭ এর আভিযানিক দল।
চট্টগ্রাম র্যাব-৭ এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৩ আগস্ট দুপুরে চট্টগ্রাম র্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফের হ্নীলা ইউপির চৌধুরী পাড়া মৃত আলী হোছনের বাড়ির সামনে হতে মৃত আলী হোছনের পুত্র মীর কাশেম(৪৩) কে আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে মাদকের চালান মওজুদের কথা স্বীকার করে। পরে তার দেখানো মতে তার বসত-ঘরের কাঠের আলমারির উপরে একটি শপিং ব্যাগ হতে উপস্থিত স্বাক্ষীদের সামনে ধৃত আসামী নিজ হাতে বের করে দেয়। উক্ত শপিং ব্যাগে রক্ষিত অবস্থায় ১কেজি ৪শ গ্রাম উদ্ধার করা হয়।
উক্ত মিডিয়া কর্মকর্তা আরো জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী এবং উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লিখিত এজাহার দাখিলের পর ধৃত মাদক কারবারীকে সংশ্লিষ্ট থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।
এলাকায় জনশ্রæতি রয়েছে যে,ধৃত মাদক কারবারী মীর কাশেম দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তে বসবাসের সুযোগে বিভিন্ন সংস্থার লোকজনের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে সোর্স পরিচয় দিয়ে বেড়াত। কেউ তার পেছনে লাগলে অবৈধ পণ্যসহ আটক করে চালান করার হুমকি দিত। অনেক সময় মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিষ্ফল অভিযানের পর এলাকা আতংকে জনশূণ্য হয়ে পড়ার সুযোগে বড় ধরনের মাদকের চালান খালাস করে মাদক কারবারীদের আস্তায় পৌঁছে দিত। সকালে মাদক কারবারীদের ঠিক করে দেওয়া বিকাশের দোকান হতে টাকা গ্রহণ করত। সে চোরাচালানের পাশাপাশি খারাংখালী, পানখালী, পশ্চিম সিকদার পাড়া, হ্নীলা ষ্টেশন, দরগাহ পাড়া, বৃহত্তর উলুচামরী, চৌধুরী পাড়া, গাজী পাড়া, রঙ্গিখালী লামার পাড়া, আলীখালী ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প সমুহের চিহ্নিত মাদক কারবারীদের মাদকের চালান মোটাংকের চুক্তির বিনিময়ে স্থানীয় মুসলিম এবং রাখাইন যুবকদের দিয়ে গঠিত সিন্ডিকেট খালাস করে দিত। এমন কি এই মাদক কারবারীর মাদকের চালান বিভিন্ন এনজিও সংস্থার গাড়িতে করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচারের সময় আটকের ঘটনা ঘটেছিল। মাদক কারবারে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সে মামলার আসামী হয়ে হাজত বাস করেছিল। ###
