বার্তা পরিবেশক : ২০মে টেকনাফ নিউজ ৭১ডটকম অনলাইনে প্রকাশিত “হ্নীলায় মসজিদে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লীর উপর সন্ত্রাসী হামলায় এলাকায় উত্তেজনা” শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে উদ্দেশ্যমূলক তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চেষ্টামাত্র। আমরা প্রতিবাদকারী মোঃ সোহেল হ্নীলা মাঈন উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজ এবং মোঃ মাইনুদ্দিন কক্সবাজার সরকারী কলেজের ছাত্র হই। এই ঘটনা সামলাতে গিয়েই প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদের উপর নির্দয়ভাবে হামলা চালিয়ে আহত করেছে। যা সভ্য সমাজে খুবই নিন্দনীয়।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, গতকাল ১৯মে বাদে মাগরিব হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়ার মৃত আব্দুল জাব্বার মিস্ত্রীর পুত্র আব্দু রশিদ মিস্ত্রী পার্শ্ববর্তী হামজার ছড়া এলাকার লাল মিয়া প্রকাশ লালাইয়ার পুত্র নুরুল আমিন হতে ধার নেওয়া বাবদ ২হাজার টাকা পাওনা টাকা ফেরত চাই। নুরুল আমিন মুঠোফোনে টাকা নেওয়ার জন্য ডাকে। তখন রশিদ মিস্ত্রী টাকার জন্য গিয়ে নুরুল আমিনকে না পেয়ে অপেক্ষা করে। এসময় দীর্ঘদিনের জমি ও মামলা বিরোধ থাকা মৃত উলা মিয়ার পুত্র আবু তালেবকে দেখতে পায়। তখন রশিদ মিস্ত্রী আবু তালেবকে বলেন বদ্দা মামলা আপোষের জন্য (২২হাজার) টাকা দিয়ে ছিলাম। এখনো মামলা আপোষ দিচ্ছেন না কেন জানতে চায়। তখন আবু তালেব বলেন আমি মামলা আপোষ দেবনা, খরচে টাকা নিয়েছি বললে দুজনার মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। তখন আবু তালেবের আত্নীয়-স্বজন মাইকে এলাকায় ডাকাত এসেছে মর্মে ঘোষণা দিয়ে জড়ো হয়ে রশিদ মিস্ত্রীর উপর হামলা চালিয়ে আহত করে। এক বন্ধুর মাধ্যমে এই ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গেলে আবু তালেবের লোকজন হামলা চালিয়ে আমাদের গুরুতর আহত করে। হামলাকারীরা আমাদের মেরে চলে গেলে পাশর্^বর্তী লোকজনের সহায়তায় উদ্ধার হয়ে হ্নীলা ষ্টেশনে চিকিৎসা নিই।
এখানে মুসল্লীদের উপর হামলা এবং গুলিবর্ষণের ঘটনা একেবারে সাজানো ও ভিত্তিহীন। এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানিয়ে উক্ত সংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী :
মোহাম্মদ সোহেল
পিতা-জকির মিস্ত্রী
মোঃ মাঈনুদ্দিন
পিতা-নুরুল আমিন
পশ্চিম সিকদার পাড়া, হ্নীলা, টেকনাফ। ###
