বিশেষ প্রতিবেদক : হ্নীলায় লবণ মাঠে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত এক ব্যক্তিকে মাদকের চালান আত্নসাতের অবৈধ অস্ত্রেরমুখে জিম্মি করে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অনেকে আবার এসব অপরাধমুলক কর্মকান্ড নিয়ে শত্রুমহলকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ উঠেছে। তবে মাদক কান্ড নিয়ে এধরনের ঘটনায় সচেতনমহলে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
৬মার্চ বিকালে হ্নীলা রঙ্গিখালী লামার পাড়ার কাদের হোছনের পুত্র আব্দুল গফুর (৩২) সংবাদ কর্মীদের নিকট অভিযোগ করে জানান,গতরাত সাড়ে ৯টারদিকে তার চাচা ইলিয়াছের বাড়ি গেলে স্থানীয় মোঃ ইউনুছ ড্রাইভারের পুত্র ইয়াছিন আরফাত,মরহুম দিল মোহাম্মদ ওরফে জিন্নাহর পুত্র সাদেক হোছাইন এবং মৃত নুর মোহাম্মদের পুত্র লিটন গিয়ে অবৈধ অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টেনে-হিছড়ে নিয়ে যায়। এরপর রাত ১টারদিকে লবণের মাঠে নিয়ে জনৈক তাহেরের ৪০হাজার পিস ইয়াবার চালান আতœসাতের অভিযোগে ৩লাখ টাকা পাওনা রয়েছে দাবী করে হাতের মধ্যে অস্ত্র দিয়ে ভিডিও ধারণ করে। এই বিষয় নিয়ে নিয়ে উল্টা-পাল্টা কিছু করলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে এসব ডকুমেন্ট দিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেয়। এরপর টাকা দিতে না পারলে সকালে অপহৃত ব্যক্তির পৈত্রিক বসত-ভিটা লিখে দেওয়ার শর্তে ভোররাত ৩টারদিকে ছেড়ে দেয়। সকাল ৯টারদিকে গফুরকে অপহরণকারীরা বাড়িতে এসে তার বাবাকে হাজির করে বসত-ভিটা লিখে নিতে না পেরে গফুরকে আবার ধরে নেওয়ার চেষ্টা করলে গফুরের বাবা কাদের হোছন উলুচামরী কোনাপাড়ার মৃত হাজী রুহুল আমিন ওরফে লুলু হাজির পুত্র আনোয়ারের সহায়তা কামনা করে। আনোয়ার তখন গাজীপাড়ার মরহুম আব্দুল মজিদ ওরফে ভোলাইয়া বৈদ্যের পুত্র আবুল আলমসহ লোকজন নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ^াস দিয়ে আপাতত এই ঝামেলার অবসান ঘটান। কিন্তু গফুরের নিকট থেকে টাকা আদায়ে ব্যর্থ অপহরণকারী চক্রের সদস্যরা এই ঘটনাকে ভিন্নখাতে নিয়ে এলাকার লোকজনকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানির অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
গফুর জানান, এখন আমি নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। আমি যেকোন মুর্হুতে তাদের হামলার শিকার হতে পারি। আমি জীবনের নিরাপত্তা চাই।
এই বিষয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে ইয়াছিন আরফাতের সাথে যোগাযোগ করা হলে বলেন, আমাদের বিষয়ে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে সে বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।
স্থানীয় মেম্বার জামাল হোছন বলেন, এই বিষয়ে কোন পক্ষই আমাকে কিছু জানাইনি। তাই এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে পারছিনা।
এলাকার সচেতন মহল মনে করেন-এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, গ্রুপিং ও দ্বন্দ থাকতে পারে তবে মাদক কান্ড এবং অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার সাধারণ মানুষকে জিম্মি ও নিরাপত্তাহীন করে তুলেন। তাই এসব অপরাধ দমনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার বিকল্প নেই বলে মনে করেন। ###
