সেন্টমার্টিনের স্পিডবোট চলাচলে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৪ years ago

মো. আরাফাত সানি : টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে দীর্ঘদিন ধরে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়ায় নিয়ন্ত্রণহীনভাবে চলছে স্পিডবোট সার্ভিস। এতে করে সাধারণ যাত্রীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। স্থানীয় ও পর্যটকদের অভিযোগ, অতিরিক্ত ঝুঁকি নিয়ে ধারণ ক্ষমতার বাহিরে যাত্রী বহন করছে।

অবশ্যই অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন ও নানা অনিয়মে জড়িত ব্যক্তি যে হোক না কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুজ্জামান।

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের মাঝের এ দ্বীপ নিয়ে পর্যটকদের আকর্ষণের কোনো শেষ নেই। সেন্টমার্টিন-টেকনাফ নৌ-রুটে দীর্ঘদিন জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকলেও পর্যটন মৌসুমে প্রতিনিয়ত দ্বীপে ছুটে যায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ। এসব পর্যটকদের বহন করতে টেকনাফ পৌরসভার কে কে খালের ঘাট থেকে সেন্টমার্টিন যাতায়াত করে ৪৫ থেকে ৫৫ টি স্পিড বোট।

প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন দেখতে ঢাকা থেকে পরিবারসহ আসা পর্যটক নিয়াজ মোর্শেদ বলেন, জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় স্পিডবোট যুগে পরিবারসহ সেন্টমার্টিন গিয়েছিলাম। আসার পথে আমাদের সিরিয়াল অনেক আগে থেকে বুকিং করা ছিল। কিন্তু ওই কথিত লাইনম্যান জাহাঙ্গীর তার ইচ্ছামত আমাদেরকে বসিয়ে রেখে আমাদের অনেক পরে যারা বুকিংয়ে এসেছে তাদের অর্থের বিনিময়ে আগে যাওয়া ও আসার সুযোগ করে দিয়েছে। এমনকি আমাদের স্পিডবোটে ধারণক্ষমতা ৮ জন হওয়ার পরও অতিরিক্ত আরেকজনকে ৭’শ টাকা নিয়ে আমাদের স্পিডবোটে উঠিয়ে দেয়। তিনি আরও বলেন, করার কিছু নাই আমাদের বাধ্য হয়ে চলে আসতে হয়েছে টেকনাফে।

সেন্টমার্টিন স্পিডবোট মালিক মালিক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলমের সাথে মুঠোফোন যোগাযোগ করা হলে, অভিযোগ গুলো জানার পরে এবিষয়ে পরে জানানো হবে বলে মুঠোফোনের লাইন কেটে দেন।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে টেকনাফ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এরফানুল হক চৌধুরী জানান, স্থানীয় ও পর্যটকদের যানমাল ও নিরাপত্তা সু-ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সকলের দায়িত্ব।