সমুদ্র পরিচ্ছন্ন রাখা, জীববৈচিত্র ও প্রকৃতি রক্ষার প্রচারণায়-কক্সবাজারে ভারত-বাংলাদেশের বারো পর্যটকের ৪ দিনের বীচ হাইকিং

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৩ years ago

অনলাইন ডেস্ক |

সমুদ্র পরিচ্ছন্ন রাখা, জীববৈচিত্র ও প্রকৃতি রক্ষা, রক্তদান এবং থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্পর্কে মানুষকে জানানোর প্রচারণায় ৪দিনের বীচ হাইকিং শুরু করেছেন ভারত-বাংলাদেশের ১২ পর্যটক। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের শাহপরীরদ্বীপ থেকে গত ১৭ ফেব্রুয়ারী এই বীচ হাইকিং শুরু করেন দলটি। সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারী) বিকালে কক্সবাজার সৈকতের লাবণী পয়েন্টে শেষ হবে চার দিনের এই বীচ হাইকিং।

এই বীচ হাইকিং দলে রয়েছেন বাংলাদেশের বীচ হাইকিং গ্রুপের ৫ সদস্য ও ভারতের হাওড়া এডভেঞ্চার এসোসিয়েসনের ৭ পর্যটক।

ব্যতিক্রমী এই বীচ হাইকিংয়ের উদোক্তা ডা: সুজাউদ্দিন ফারুক সোহান জানান, শখের বসে ২০১৬ সালে একবার বিচ হাইকিং করেছিলাম, এরপর থেকে বন্ধুবান্ধব ও পরিচিতজনেরা মিলে বিচ হাইকিং করি প্রতি বছর। ফেসবুক আর ইউটিউবে আমাদের এ ট্যুরের ব্যাপারে জেনে ভারতীয় পর্যটকরা এসেছেন।
WhatsApp Image 2023 02 19 at 6.32.44 PM TEKNAF TODAY - সীমান্তের সর্বশেষ খবর
ভারতীয় পর্যটকরা সেখানকার বিভিন্ন সৈকতে হাইকিং করে থাকেন। এইবার বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে হাইকিং করার জন্য এসেছেন তারা।

তিনি আরো জানান, এই হাইকিং এর দুইটা উদ্দেশ্য সমুদ্রকে পরিচ্ছন্ন রাখা,
জীববৈচিত্র ও প্রকৃতিকে রক্ষা করার আহবান, রক্তদান এবং থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্পর্কে মানুষকে জানানো।

হাঁটার পথে সৈকতের প্লাস্টিক সহ বিভিন্ন ময়লা তারা পরিস্কার করেন এবং বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষাথীসহ সাধারন মানুষের কাছে প্রচারণার বিষয় তুলে ধরেন।

রবিবার দলটি হিমছড়িতে পৌঁছে সেখানে প্রচারণা ও রাত্রিযাপন করছেন।

কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আবু সুফিয়ান জানান, ভারত-বাংলাদেশের ১২ পর্যটক বিশ্বের দীর্ঘতম সৈকতে হাঁটার পাশাপাশি সমুদ্র পরিচ্ছন্ন রাখা ও রক্তদান সহ কিছু প্রচারণা চালানোর কথা জেনে এ উদ্যোগে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগীতা প্রদান করা হয়েছে। এ সচেতনতা কর্মসুচী সফল হলে পরিবেশ ও মানুষের উপকার হবে বলে জানান তিনি।

এছাড়া ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকেও পর্যটকদের নিরাপত্তা প্রদান করা হয়েছে। শাহপরীরদ্বীপ সৈকত থেকে কক্সবাজার পৌঁছানো পর্যন্ত সার্বক্ষনিকভাবে বীচ কর্মীরা পর্যটকদের সহযোগীতা করেন।