লেদার সংঘবদ্ধ ক্রাইম সিন্ডিকেটের শেষ কোথায়?

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : টেকনাফে মাদক বিরোধী অভিযানের মধ্যে যে ক’টি গ্রামে নানা অপতৎপরতা অব্যাহত রয়েছে তম্মধ্যে বৃহত্তর লেদা তথা লেদা লামার পাড়া এখন অন্যতম ক্রাইম জোন। র‌্যাবের অভিযানে উক্ত এলাকার অপকর্মের তথ্য ফাঁস হওয়ার পর বিবিধ বিষয় নিয়ে সুশীল সমাজে সমালোচনা ধামাচাপায় রাখতে কথিত সংবাদকর্মী এবং সিন্ডিকেট সদস্যরা মিলে জোট বেঁেধ এবার বিভিন্ন জনের নিকট হতে সুযোগ-সুবিধা আদায়ের অভিযোগ উঠছে।
সুত্র জানায়, ১৭নভেম্বর রাতে উপজেলার হ্নীলা লেদা লামার পাড়া পয়েন্ট দিয়ে কতিপয় রোহিঙ্গা একটি মাদক ও স্বর্ণের চালান আনার সময় হ্নীলা মৌলভী বাজার থেকে এসে বসবাসরত জনৈক মৃত আলী আহমদের পুত্র রাসেল সিন্ডিকেট লুটপাট করে নেয়। স্থানীয় একটি চক্র এসব চালানের বিষয় জানতে পেরে লুটপাটের আশ্রয় নেয়। পরে র‌্যাব ইয়াবা লুটপাট ও মওজুদের খবর পেয়ে র‌্যাব-১৫ এর টেকনাফ (সিপিসি-১) ক্যাম্পের একটি চৌকষ আভিযানিক দল নিজস্ব গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে পূর্ব লেদা লামার পাড়ার মোঃ আবুল কাশেমের বাড়িতে অভিযানে গেলে চিহ্নিত কিছু মাদক কারবারী পালিয়ে যায়। পরে বাড়ি তল্লাশী করে অভিনব কায়দায় লুকানো ১লাখ ৪৯হাজার ৭শ পিস ইয়াবাসহ রাসেলের স্ত্রী জুলেখা বেগম (২০) কে আটক করে। এই ঘটনার পর পরই পুরো লেদা গ্রাম ভিত্তিক মাদকের চালান খালাস, বহন, পাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড অব্যাহত থাকার বিষয়টি আলোচনায় চলে আসে।
স্থানীয় একাধিক সুত্রের দাবী,দীর্ঘদিন ধরে উত্তর লেদা লামারপাড়ার মৃত কালা চাঁদের পুত্র মুহাম্মদ আলম, মুহাম্মদ ছিদ্দিক, ছৈয়দ আলমের পুত্র হারুন রশিদ, মুহাম্মদ রশিদ, শফি আলম, ইসমাঈলের পুত্র মুহাম্মদ নুর, জকির আহমদের পুত্র আব্দু শুক্কুর, আব্দু রশিদ, আব্দুর রশিদের পুত্র জয়নাল, হেলাল, নাজির হোছনের পুত্র মুহাম্মদ ফারুক, মুহাম্মদ, আবুল কাশেমের পুত্র আবুল বশর, আবু বক্করসহ ৩০/৩৫জনের শক্তিশালী একটি চক্র বেড়িবাঁধ কেন্দ্রিক সীমান্ত অপরাধে জড়িত রয়েছে। তারা চোরাকারবারীদের সাথে চুক্তি করে এসব অবৈধ চোরাইপণ্য,স্বর্ণ ও মাদকের চালান খালাসে সহায়তা করে থাকে।
এই ব্যাপারে অভিযুক্তদের বিষয়ে সুশীল সমাজের নিকট জানতে চাইলে বলেন,উক্ত তালিকার বেশীর ভাগই বিভিন্ন অপরাধে সম্পৃক্ত।
অভিযুক্তদের নিকট বক্তব্য নেওয়ার জন্য বার বার চেষ্টা করেও কেউ বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।
এসব বিষয়কে পুঁজি করে এলাকার একটি মহল এবং কথিত সংবাদকর্মী মিলে কৌশলে ভীতি প্রদর্শন করে আর্থিক সুবিধা আদায় করছে বলে একাধিক ব্যক্তি দাবী করেন।
এদিকে সীমান্ত উপজেলায় মাদক পাচার ও যেকোন চোরাচালান দমনে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট বাহিনী এই বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের কাঠগড়ায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট বাহিনীর প্রতি আহবান জানিয়েছেন সচেতনমহল। ###