সংবাদদাতা :
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে লামা প্রেসক্লাবের তয় তলার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। একটি আধুনিক মানের কনফারেন্স রুম লামা প্রেসক্লাবে সভা-সেমিনার, সংবাদ সম্মেলনের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করলো। পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি’র প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রেসক্লাবের তয় তলায় সভাকক্ষ সংযোজিত হওয়ায় মন্ত্রীর প্রতি কতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সাংবাদিকরা। যে কোন সময় পার্বত্য মন্ত্রী নব নির্মিত ভবন আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে প্রেসক্লাব সূত্রে জানাগেছে।
২০১৩ সালের শেষদিকে তৎকালীন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয় বোর্ডের চেয়ারম্যান সাংসদ বীর বাহাদুর উশৈসিং লামা প্রেসক্লাব পরিদর্শনকালে এর উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি দশম জাতীয় সংসদে এমপি নির্বাচিত হয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। মন্ত্রীর পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। ২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর কাজের ডিজাইন-প্রাক্কলন তৈরি হয়। নাইক্ষ্যংছড়ি কেন্দ্রিক একটি ঠিকাদরী প্রতিষ্ঠান ৫% কমদরে কাজটি প্রাপ্ত হয়। চলতি বছরের শুরুতে নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে অক্টোবর মাসে কাজ সমাপ্তি হয়।
এর ফলে একটি গেষ্টরুমসহ আধুনিক মানের হলরুম সংযোজিত হলো লামা প্রেসক্লাবে। অটোবির আসবাবপত্রদ্বারা সাজানো হলরুমে থাইগ্লাসের জানালা, এসি মানের বৈদ্যুতিক সংযোগ, সিলিং ফ্যান লাইট, উন্নতমানের কালার, টাইলস বার্থরুম, গেষ্টরুম নিয়ে লামা প্রেসক্লাবের তয় তলায় আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। একসাথে শতাধিক মানুষ হলরুমটিতে মেটিং করতে পারবেন। পার্বত্য মন্ত্রী ভবিষ্যতে হলরুমটি এসি করে দিবেন বলে প্রেসক্লাব সদস্যার আশাবাদ ব্যাক্ত করেছেন।
প্রেসক্লাব সভাপতি প্রিয়দর্শী বড়–য়াসহ অন্যান্য সদস্যরা পার্বত্য মন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী একটি চক্র প্রেসক্লাবের উন্নয়ন ঠেকাতে নানান ষড়যন্ত্র করে ব্যার্থ হন। পার্বত্য মন্ত্রীর আন্তরিকতা ও লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইলসহ নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায়, প্রেসক্লাব সদস্যদের ঐক্যবদ্ধতায় বিরোধী চক্রের সকল ষড়যন্ত্র বুমেরাং হয়ে যায়। প্রেসক্লাবের কাজটি সফল সমাপ্তি হওয়ায় সাংবাদিকরা পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, নির্বাহী প্রকৌশলী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী, সাইট অফিসার, নির্মাণ ঠিকাদারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
