বিশেষ প্রতিবেদক : টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে পাহাড় থেকে নেমে আসা রোহিঙ্গা স্বশস্ত্র ডাকাত দলের গতিবিধির উপর টর্চের আলো নিক্ষেপ করায় আরো একজনকে অপহরণ করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন দিনপর চেষ্টা করে এখনো পর্যন্ত হদিস পায়নি। যা নিয়ে অপহৃতের পরিবারে কান্নার রোল পড়েছে।
জানা যায়, ২৪মে ভোররাত আড়াইটারদিকে উপজেলার হোয়াইক্যং কাটাখালী পাহাড়ি এলাকা হতে মিনা বাজার হতে অপহৃত ইদ্রিসকে নিয়ে একদল স্বশস্ত্র রোহিঙ্গা ডাকাত নেমে আসে। ডাকাত দল হৈ ছৈ শুরু করলে মৎস্যঘেঁরে থাকা পূর্ব ঊলুবনিয়া রাস্তার পশ্চিম পাশ হতে কাটাখালী পূর্ব পাড়ার মিয়া হোছনের পুত্র আব্দু রশিদ ওরফে সাদেক টর্চ লাইট মেরে কারা জানতে চাই? তখন ডাকাত দল ক্ষুদ্ধ হয়ে ঘেঁরে থাকা লোকজনের উপর চড়াও হলে সাথে আনা ইদ্রিস পালিয়ে যায়। তখন ডাকাত দল ক্ষুদ্ধ হয়ে আব্দুর রশিদকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। বিষয়টি স্থানীয় মেম্বার,চেয়ারম্যান ও পুলিশকে অবহিত করা হয়।
এদিকে পালিয়ে আসা মিনাবাজার এলাকার মৃত কাশেমের ছেলে ইদ্রিস অপহৃত শাহেদকে শবেবরাতের দিন খুন করে পাহাড়ে পুঁতে ফেলার চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন। এরই ভিত্তিতে পুলিশ ও এলাকাবাসী শাহেদের মৃতদেহ এবং আব্দুর রশিদকে উদ্ধারে অভিযানে যায়। শাহেদের অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করা হলেও রশিদের খোঁজ মিলেনি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
এই অপহরণ ঘটনার পর হতে রশিদের বাড়িতে ঈদের আনন্দটাই মাটি হয়ে গেছে। তারা রশিদের শোকে কাতর হয়ে পড়েছে।
গত রাতে কাটাখালী পুর্বে উলুবনিয়া রোডের পশ্চিম থেকে রাত আনুমানিক ২.৩০ মিনিটের সময় কাটাখালী পুর্বপাড়ার মিয়া হোসেনের ছেলে আব্দুরিশদ সাদেক কে অপহরণ করে নিয়ে গেছে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা এসময় ঘটনাস্থল থেকে ছবিতে দেওয়া জিনিস গুলো উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সরাদিন প্রসাষন কর্তক অভিযান চালিয়ে এখনো পর্যন্ত উদ্বার করা সম্ভব হয়নি।
