রোহিঙ্গাদের কারনে উখিয়া-টেকনাফের লক্ষাধিক বাসিন্দাদের মানবেতর জীবন

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৮ years ago

কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া :
রোহিঙ্গা অধ্যুষিত উখিয়া-টেকনাফের লক্ষাধিক স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সাহায্য সহযোগীতা দেওয়া হউক। বিশেষ করে পবিত্র এই রমজান মাসে এই দুই উপজেলার নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে আর্থিক বা অন্যান্য সাহায্য সহযোগীতা দেওার জন্য স্থানীয় বাসিন্দা, রাজনীতিবিদ বিজ্ঞ মহলের পক্ষ থেকে জোরালো দাবী উঠেছে। ব্যাপক অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, মিয়ানমার সেনাদের নির্যাতনে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা এসব রোহিঙ্গারা উখিয়া-টেকনাফে আশ্রয় নিয়েছে ১২টি অস্থায়ী ক্যাম্পে । আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের কারনে উখিয়া-টেকনাফের শ্রমবাজার প্রায় রোহিঙ্গাদের দখলে চলে যাওয়ায় উল্লেখিত এলাকার প্রায় লক্ষাধিক নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারে নানা দুর্বিক্ষ চলছে। নিত্য পণ্য দাম বৃদ্ধি সহ জীবন যাত্রায় ব্যয় বৃদ্ধির কারনে এসব পরিবার গুলোর জীবন যাত্রা নেমে এসেছে অসহনীয় দূর্ভোগে। এসব পরিবার গুলোর মধ্যে কয়েকটি পরিবারের সাথে কথা বলে জানা গেছে তাদের সীমাহীন সমস্যার কথা, তারা পারছেনা কইতে পারছেন সইতে। সরজমিন এলাকার গুলোর মানুষের যে চরম দূর্ভোগে পড়ছে তৎমধ্যে টেকনাফ উপজেলার নীলা ইউনিয়ন, হোয়াইক্যং ইউনিয়ন, উখিয়ার ফালংখালী ইউনিয়ন, রাজাপালং ইউনিয়ন সহ আশ পাশের এলাকাগুলো উখিয়া-টেকনাফের লক্ষাধিক স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এই ৪টি ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দারা বিপর্যস্থ হয়ে পড়ছে। জাতীয়, আর্ন্তজাতিক এনজিও সংস্থা গুলো কোটি টাকা রোহিঙ্গাদের জন্য দিনে ব্যয় করছে অন্তত রমজান মাসটিতে ২ উপজেলার ৪ ইউনিয়নের লক্ষাধিক স্থানীয় অসহায় মানুষ গুলোর জন্য আর্থিক ত্রাণ সামগ্রী বিতরনের জন্য জোরালো দাবী উঠেছে এলাকার সর্বদলীয় রাজনৈতিক মহল থেকে। রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি এসব লক্ষাধিক বাসিন্দাদের মানবিক সাহায্য অতীব জরুরী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে এই রমজান মাসটিতে এই দু’উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের লক্ষাধিক স্থানীয় বাসিন্দাদের এনজিও সংস্থা, সরকারি সাহায্য সহযোগীতা কামনা করছেণ। উক্ত এলাকা গুলোর বাসিন্দা রোহিঙ্গাদের চরম চাপে বিপর্যস্থ ও প্রতিকুলতার মধ্যে জীবন যাপন করছে। এতের মধ্যে অধিকাংশ পরিবার কর্ম নেই। নেই আই ইনকামের লোক। নেই কৃষি ফসলী জমি, অনেক পরিবার কাঠুরিয়া কিন্তু বনে কাঠ নেই।