টেকনাফ টুডে ডেস্ক : ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় দৈনিক যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিকদের উপর হামলার নিন্দা জানিয়ে এতে জড়িতদের শাস্তি চেয়েছে সাংবাদিকদের তিনটি সংগঠন।
সোমবার রাতে নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাকোপা এলাকার ‘শামীম গেস্ট হাউজে’ ওই দুটি গণমাধ্যমের ৩০ জনের মতো সাংবাদিকদের উপর হামলা হয়।
যমুনা গ্রুপের কর্ণধার নুরুল ইসলাম বাবুলের স্ত্রী সালমা ইসলাম ওই আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী। যুগান্তরের প্রকাশক সালমা ওই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) যমুনা ও যুগান্তরের সাংবাদিকদের উপর হামলার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে।
বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ডিইউজে সভাপতি আবু জাফর সূর্য ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, এ ধরনের হামলা সাংবাদিক সমাজকেই আতঙ্কিত করে। এর অবসান হওয়া জরুরি এবং এক্ষেত্রে রাষ্ট্র ও সরকারকে দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসা উচিৎ।
স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিবৃতিতে বলা হয়, “পুলিশের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ সাংবাদিক সমাজসহ জনগণের কাম্য নয়। পুলিশের স্থানীয় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফোন রিসিভ না করা মানে সন্ত্রাসীদের প্রচ্ছন্ন সহযোগিতা করা। এটা কখনোই রাষ্ট্রের জন্য শুভ লক্ষণ নয়।”
“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংবাদিকবান্ধব একজন নেতা ও প্রধানমন্ত্রী। তাকে বিব্রত ও বিতর্কিত করার জন্য কোনো মহল এ ধরণের ঘটনা ঘটিয়েছে কি না সেটিও পর্যালোচনা করা দরকার,” বলা হয় বিবৃতিতে।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ইলিয়াস হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ খানের পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, “সংবাদকর্মীদের ওপর এ ধরনের হামলা ন্যক্কারজনক এবং মুক্ত ও স্বাধীন সাংবাদিকতায় প্রতিবন্ধকতার শামিল। নির্বাচনের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটতে দেখে সাংবাদিক সমাজ খুবই ক্ষুব্ধ।”
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ‘কঠোর কর্মসূচি’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন ডিআরইউ নেতারা।
