নিজস্ব প্রতিবেদক :
টেকনাফ বাহারছড়া ইউনিয়নে বেশ কয়েকজন নিরহ ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসা করে বলে এমন পুঁজি করে শত্রুতামূলক ভাবে প্রতিশোধ নিতে কয়েকটি ভূয়া ফেইসবুক আইডি ও কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভোক্তভোগীরা বাহারছড়া উত্তর শীলখালী গ্রামের মোঃ জুবাইর, খায়রুল বশর, আবু সাঈদ, ওয়াশ করিম ও আবদু খালেক বলে জানা যায়। এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষেরা বলেন বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম ও গণমাধ্যমে উল্লেখ্যিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যে ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগ তোলা হয়ে তা সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট, শুধু মাত্র ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে তাদের হয়রানি করতে কিছু লোক নাটক সাজাচ্ছে বলে তাদের অভিমত।
আর অনুসদ্ধানে দেখা যায় উল্লেখ্যিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যে ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগ আনা হয়েছে তা অনেকটাই অসত্য বলে ধারণা করা যায়, কারণ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাংসারিক জীবনে অনেক সময় নুন আনতে পানত্তা ফুরিয়ে যায়,,কোনো রকম কষ্টের মাধ্যমে চলে তাদের সংসার।
এমনকি বাহারছড়ার উত্তর শীলখালীতে ইয়াবা ব্যবসায় অভিযুক্ত আবদুল খালেক একজন সামান্য নৌকার জেলে, একটি খড়ের ভাঙ্গা ঘরে তার বসবাস, আর ওয়াস করিম একজন সামান্য খুচরা সুপারি ব্যবসায়ী, খুব সামান্য পুঁজিতে তার এই ব্যবসা চলে বলে জানা যায়।
অন্যদিকে ইয়াবা ব্যবসা করে বলে মিথ্যা অভিযোগে উত্তর শীলখালী গ্রামের খায়রুল বশর একজন সাবেক এনজিও কর্মী, বেশ কিছু দিন ধরে তিনি কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করেছেন, বর্তমানে তিনি বাহারছড়ার শামলাপুর বাজারে কুলিংকর্ণার ব্যবসা জীবিকা নির্বাহ করছেন।
আর মোঃ জুবাইর এলাকাতে একজন সচ্ছ ব্যক্তি ও কনট্রাকসন ব্যবসায়ী বলে জানা যায়, তার তিন ভাই বিদেশ থাকার সুবাধে ভাইদের কাছ থেকে তিনি বিভিন্ন সময় টাকা ধার নিয়ে খুঁটিনাটি বিভিন্ন ব্যবসা বাণিজ্য করেন বলে এলাকাবাসীরা বলেন, বর্তমানে তিনি ইট,পাথর, বালির ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছেন বলে জানা যায়।
অন্যদিকে আবু সাঈদ স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধির ছেলে, বর্তমানে তিনি বিয়ে করে পিতার ৭-৮ বছর আগের তৈরি করা দালান বাড়িতে বসবাস করছেন, এলাকায় তার ব্যক্তিগত সম্পদের কোনো খুঁজ পাওয়া যায়নি, এমনকি স্থানীয় এলাকাবাসীও তার কোনো অর্জিত সম্পদের তথ্য দিতে পারেনি, তিনিও সুপারি ব্যবসা করে বর্তমানে জীবিকা নির্বাহ করছেন বলে জানা যায়।
আর ইয়াবা ব্যবসায় মিথ্যা অপপ্রচারে ভোক্তভোগী উল্লেখ্যিত ব্যক্তিরা বলেন সাংবাদিক ভাই ও প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের কাছে আমাদের আকুল আবেদন সুষ্ট তদন্তের মাধ্যমে আমরা যদি কোনো সময় ইয়াবা ব্যবসা করেছি এমন প্রমান পাওয়া যায় তাহলে আমরা স্বইচ্ছায় শাস্তির মুখামুখি হব।
আমরা খুব সাধারণ মানুষ, অনেক কষ্টে চলে আমাদের সংসার তাই কোনো গুজবে বা কোনো ভূয়া লিখনীতে কান না দেওয়ার জন্য তারা সাংবাদিক ও প্রশাসনকে বিনীত ভাবে অনুরোধ জানান।
