আজিজ উল্লাহ : টেকনাফের বাহারছড়া বড়ডেইল পাহাড়ের পাদদেশে পানের বরজে কাজ করতে গিয়ে স্বশস্ত্র ডাকাত দলের হাতে অপহৃত মোহাম্মদ উল্লাহ’র পুত্র কৃষক আব্দুর রহমান (১৬)কে মুক্তিপণ দিয়ে ছেড়ে আনা হয়েছে। পরবর্তীতে পুলিশ উদ্ধার অভিযান চালাতে গেলে অপহৃত ব্যক্তিকে পাহাড় থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে আসেন। এতে পরিবার আত্মীয় স্বজন ভয়ে মুখ খুলতে অপরাগতা প্রকাশ করলেও এলাকা জুড়ে জনশ্রুতি ওঠে প্রায় দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণের টাকা দিলে ডাকাত দল তাকে অক্ষত অবস্থায় পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়।
জানা যায়, শনিবার ( ৮অক্টোবর) ৫টার দিকে তাকে হেঁটে হেঁটে পাহাড় থেকে নেমে আসতে দেখতে পায় এলাকাবাসী ও পুলিশ।এসময় পুলিশ অভিযান গেলে তাকে হেফাজতে নিয়ে নেন। ফিরিয়ে আসা কিশোরের চাচা ইমাম হোসেনের কাছে জানতে চাইলে,অস্বীকার করেন এবং সবকিছুই জেনে শুনেই এমনকি নিজেই মুক্তিপণের টাকা দিলেও মুখ খুলতে অপরাগতা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, পাহাড়ি পাদদেশে পানের বরজ ও ক্ষেতে কাজ করার সময় পাহাড়ে অবস্থানরত মুখোশধারী স্বশস্ত্র দূবৃর্ত্ত দল হানা দিয়ে স্থানীয় মোহাম্মদ উল্লাহর পুত্র আব্দুর রহমান (১৬) কে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে পাহাড়ের ভেতরে নেওয়ার সময় একই এলাকার মৃত মোঃ সোনা আলীর পুত্র মোঃ শফিক (৪০) দূবৃর্ত্তদের দেখতে পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন দূবৃর্ত্তদল তাকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। সে কিছুদূর পালিয়ে যায় এবং গোলাগুলির শব্দ শুনে লোকজন জড়ো হলে দূবৃর্ত্তরা আব্দুর রহমানকে নিয়ে পাহাড়ে দিকে নিয়ে গিয়েছিল।
বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর নুর মোহাম্মদ জানান,রোহিঙ্গাদের সাথে বড়ডেইলের স্থানীয় কিছু লোকদের সাথে যোগাযোগ রয়েছে এমন তথ্য, উপাত্ত পেয়ে সন্দেহভাজনের বাড়িতে রেড দিয়ে চাপ প্রয়োগের সাথে গতকাল থেকে আজ অবধি পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রেখে পাহাড়ে অভিযানে গেলে বড়ডেইল ঢালারমুখ থেকে ভিক্টিমকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে নিই। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করে তাকে পরিবারের কাছে স্থানান্তর করা হয়।”
