রিয়াজুল হাসান খোকন : টেকনাফ বাহারছড়া শামলাপুর – হোয়াইক্যং সড়কে বেহাল দশা, যেন দেখার কেউ নেই। শামলাপুর থেকে হোয়াইক্যং যাওয়ার মাত্র সাত কিলোমিটার এই রাস্তাটিতে রয়েছে শতশত বড় গর্ত ও খানা খন্ডক। জরাজীর্ণ এই সড়কটি পাড়ি দিতে স্থানীয়রা অনেক কষ্ট ও দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ। অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি ভাল থাকলে শুধু দশ মিনিটে শামলাপুর থেকে হোয়াইক্যং আবার হোয়াইক্যং থেকে শামলাপুর যাতায়াত করা যেত। কিন্তু সড়কে খানা খন্ডকের জন্য মাত্র সাত কিলোমিটার এই সড়ক পাড়ি দিতে প্রায় এক ঘন্টারও বেশি সময় লাগে বলে স্থানীয়রা জানান। আর রাস্তার গর্তের জন্য গাড়ি চলার সময় ঝাঁকুনি দিয়ে ওলট পালট করাতে অনেক বয়স্ক ও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত মানুষ ব্যাপক অসুস্থ হয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। আর প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় দূর্ঘটনা।
জানা যায় টোকনাফ বাহারছড়ার শামলাপুর থেকে প্রতিদিন অনেক মৎস্য ব্যবসায়ী শামলাপুর জেলে ঘাট থেকে সাগরের মাছ ক্রয় করে হোয়াইক্যং, বালুখালী, থেংখালী, পালংখালী সহ টেকনাফ – উখিয়ার বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্যশ্যে নিয়ে যায়। আবার অনেক তরকারী ও স্বাদু পানির মাছ ব্যবসায়ীরা উখিয়া -টেকনাফের বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন কৃষি পণ্য, তরিতরকারী, ফার্ম মুরগি, ও স্বাদু পানির বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিক্রির উদ্যশ্যে শামলাপুর বাজারে আগমন করে। তাই প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের অন্যতম যোগাযোগের মাধ্যম বাহারছড়া শামলাপুর হোয়াইক্যং এলজিইডি এই সড়কটি। কিন্তু সড়কটি দীর্ঘ সময় কতৃপক্ষ মেরামত না করাতে শতশত গর্ত ও খানা খন্ডক তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে সড়কটি জরাজীর্ণ হওয়াতে যাত্রীদের কাছ থেকে পরিবহন মালিক ও ড্রাইভাররা দ্বীগুনের চেয়ে বেশি অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। তাই সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের প্রতি স্থানীয়দের দাবী অতি শ্রীঘ্রই এই সড়কটি মেরামত করে স্বাভাবিক চলাচলের উপযোগী করে দেওয়া হোক।
