ফলোআপ :- হ্নীলায় অপহৃতরা ফিরেনি প্রশাসনকে অবহিত করায় নির্যাতন ; মুক্তিপণের জন্য চাপ

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৩ years ago

বিশেষ প্রতিবেদক : টেকনাফের হ্নীলা পাহাড়ি এলাকা যেন কৃষকদের পরিশ্রম আর ঘামের বিনিময়ে শস্যের সবুজ-শ্যামল জনপদ। যাদের হাঁড়ভাঙ্গা পরিশ্রমে সকলের জন্য খাদ্যশস্য সরবরাহ হয়ে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে সবুজ-শ্যামল পাহাড় এখন যেন দূবৃর্ত্ত চক্রের স্বায়ত্ব শাসিত জনপদ ; অপহৃত ৪জন কৃষককে এখনো ফেরত দেয়নি বরং অমানবিক নির্যাতনের চালিয়ে মুক্তিপণ দিতেই হবে আর প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, মিডিয়াকর্মী, স্থানীয়দের জানানো যাবেনা।

গতকালের বিষয়টি অবগত হওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ, ওসি (অপারেশন), হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান, স্থানীয় মেম্বার, মিডিয়া কর্মী এবং সাধারণ মানুষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করায় দূবৃর্ত্তদল ক্ষুদ্ধ হয়ে অপহৃতদের অমানবিক নির্যাতন চালায়। গভীর রাতে তা মুঠোফোনে ভিকটিমের পরিবারে জানিয়ে কোন মিডিয়ার সামনে মুখ না খোলার জন্য সর্তক করে দেন। তাই অফহৃতদের পরিবার চরমভাবে অসহায় হয়ে মুখ খুলছেনা। এরপর কোন পদক্ষেপ নিলে অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে তা পরিবারের সদস্যদের ফোনে অবগত করায় স্বজনেরা ভেঙ্গে পড়ছে। প্রত্যেক বাড়িতে যেকোন মূল্যে মুক্তিপণের টাকা যোগাড়ের জন্য মুঠোফোনে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। অনেক পরিবার নিরুপায় হয়ে কান্নায় বুক ভাসাচ্ছে। এসব স্পর্শকাতর বিষয়ে আইন-শৃংখলা বাহিনী ও সরকারের উর্ধ্বতন মহলকে দ্রæতই যেকোন একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতেই হবে। এই অপরাধী চক্রের জন্য পুরো জনপদে অশান্তির ছায়া নামছে।
k 1 TEKNAF TODAY - সীমান্তের সর্বশেষ খবর
এদিকে সরকার সম্ভাব্য দূর্ভিক্ষ থেকে বাচঁতে চাষ্যযোগ্য জমিতে চাষাবাদ বৃদ্ধির আহবান জানাচ্ছে। পাহাড়ের পাদদেশ তথা জুম চাষ করতে গিয়ে স্থানীয় লোকজন পাহাড়ে অবস্থানরত স্বশস্ত্র দূবৃর্ত্ত চক্রের হাতে অপহৃত হয়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। যা কত অমানবিক তা ভূক্তভোগী ছাড়া সাধারণ মানুষ সহজে অনুধাবন করতে পারবেনা। টেকনাফে পাহাড়ের পাদদেশে খাদ্যশস্য উৎপাদনকারী শ্রমজীবি মানুষের নিরাপত্তা জোরদারের দাবী উঠেছে। তা রক্ষায় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ব্যর্থ হলে পাহাড়ের পাদদেশের গ্রাম ও জনবসতি সমুহে দূবৃর্ত্তদের দমনে আপাতত স্বশস্ত্র প্রতিরোধ বাহিনী গড়ে তোলার বিকল্প নেই এলাাকার সাধারণ মানুষ মত প্রকাশ করেন। ###