নাফনদীতে মাছ শিকারে ঘিয়ে নিখোঁজ জেলের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। দুজনই সম্পর্কে পিতা-পুত্র।
সূত্রে জানা যায়, জাদীমুড়া ২৭নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ০৭নং ব্লকের বাসিন্দা (এফসিএন নং-২৫৭২৩৬) ছালামত উল্লাহর পুত্র নুরুল্লাহ (৩৭) ও নুরুল্লাহর পুত্র রুহুল আমিন (১৩) ১জুলাই সকাল সাড়ে ৮ ঘটিকার সময় নদীতে মাছ শিকারে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। ৩ জুলাই দুপুর ২.২০ ঘটিকার সময় হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়াস্থ কেয়ারী ঘাটের উত্তর পাশে পুত্র রুহুল আমিন (১৩) ও ২,৫০ ঘটিকার সময় দক্ষিণ পাশ হতে পিতা নুরুল্লাহ’র (৩৭) ভাসমান মৃতদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। টেকনাফ নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আবুল কাসেম জানান নদীতে মাছ শিকারে পিতা-পুত্র নিখোঁজের খবর পেয়ে টেকনাফ নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ তপন কুমার বিশ্বাস এর নেতৃত্বে নদীতে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করি। অভিযান পরিচালনার একপর্যায়ে দমদমিয়াস্থ কেয়ারী ঘাটের উত্তর ও দক্ষিণ পাশ হতে পৃথকভাবে মৃতদেহ ২টি উদ্ধার করকে সক্ষম হই। পরে আইনী প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহ ২টি পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। উক্ত বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াধীন আছে বলেও জানান তিনি।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওসমান গণি সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
