শামীম ইকবাল চৌধুরী : করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা দিতে বেশী মানুষকে টিকার আওতায় আনার জন্য এবং জনসাধারণকে বাঁচাতে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দিচ্ছে সরকার। এতে সারা দেশের ন্যায় ”
“পরিবার বাঁচাতে টিকা নেওয়ার দায়িত্ব আপনার” এই শ্লোগানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ৫ ইউনিয়নে গণ টিকাদান বা কোভিড-১৯ “ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন” শুরু হয়েছে।
শনিবার (৭ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ৫ ইউনিয়নের মানুষকে টিকার আওতায় আনার পরীক্ষামূলক এ কার্যক্রমে অংশ নিতে ইউনিয়নের ওয়ার্ড পর্যায়ের কেন্দ্রগুলোতে ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।
এসব ইউনিয়ন গুলো হলো নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন,সোনাইছড়ি , বাইশারী, দৌছড়ি, ঘুমধুম ইউনিয়ন।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করে টিকা দেয়ার চালু করলেও এবার জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়েই টিকা নিতে পারছে মানুষ। টিকা দিতে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কেন্দ্রে গুলোতে ভিড় ছিলো ২৫ বছরের উর্ধ্বরা মনুষেরা।
অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়স্ক, নারী ও শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগোষ্ঠীকে টিকা দেওয়া হচ্ছে।
আর এদিকে, নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রথম দিনে প্রায় ৩ হাজার ১শত ২২ জন মানুষকে টিকা দেওয়া রয়েছে বলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানাযায়। তার মধ্যে নারী ১২২৩ জন এবং ১৮৯৯জন পুরুষ টিকা নেওয়া হয়।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, টিকা গ্রহীতাদের কাছ থেকে পরিচয়পত্রের ফটোকপি রাখা হচ্ছে যেগুলো তারা নিজেরাই পরে মূল ডাটাবেজে অন্তর্ভূক্ত করে দেবে।ফলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে টিকা গ্রহীতারা স্বাস্থ্য বিভাগের টিকা সম্পর্কিত এসএমএস পেয়ে যাবেন। কিন্তু ভীরের কারনে এবং পাহাড়ী এলাকার নেটওয়ার্ক সমস্যার কারনে উপজেলার ৫ইউনিয়নের ওয়ার্ডগুলোর অনেক কেন্দ্রেই চরম অব্যবস্থাপনার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষািত হতে দেখা যায়।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার এ জেট এম. সেলিম বলেন,আজকে উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে জনগোষ্ঠী কে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। এই টিকা গ্রহনে কোন নেগেটিভ কিছু পাওয়া যায়নি।
বৃদ্ধ, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের টিকা গ্রহনে আজকে আগ্রহ বেশী দেখা গেছে। প্রতিটি টিকাদান কেন্দ্র গুলিতে।পর্যায়ক্রমে সরকারী ভাবেই উপজেলার সকল জনগোষ্ঠী কে এই করোনা ভ্যাকসিন নিয়মিত দোওয়া হবে নাইক্ষ্যংছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর মাধ্যমে।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা ফেরদৌস বলেন,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে টিকা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।আমি এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে পরিদর্শনে গিয়েছি এবং সরকারী নির্দেশনামত সুষ্ঠু ভাবে ৩হাজার জন কে করোনার টিকা প্রদান করা হচ্ছে।
