টেকনাফ চাকমারকূল ক্যাম্পে রোহিঙ্গা উগ্রপন্থী সংগঠনের দু‘গ্রুপের সংঘর্ষ : ছুরিকাঘাত ৫জন

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

হুমায়ূন রশিদ : টেকনাফে চাকমারকূল ক্যাম্পে রোহিঙ্গা উগ্রপন্থী সংগঠন আল-ইয়াকিনের দু‘পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরধরে সংঘর্ষের ঘটনায় ৫জন ছুরিকাঘাত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
জানা যায়, ৩১ অক্টোবর সকাল পৌনে ৯টারদিকে উপজেলার ২১নং চাকমার কুল রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন রাস্তার পাশে পূর্ব শত্রুতার জেরধরে রোহিঙ্গা উগ্রপন্থী সংগঠন আল ইয়াকিনের সদস্য মৌলভী জাকারিয়া গ্রুপের দু‘পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে চাকমারকূল ক্যাম্পের এফ-৪ ব্লকের ৯৮নং ঘরের বাসিন্দা হাফেজ মোঃ আনাছ (২৩), জি-২ ব্লকের ২৪৭নং ঘরের বাসিন্দা মাষ্টার মোঃ ইকরাম (২১),সি-১ ব্লকের ১১৭নং ঘরের বাসিন্দা জাকারিয়া (৩৫), সি-ব্লকের ১নং ঘরের বাসিন্দা শফিক আহমদের পুত্র আতা উল্লাহ (৩৭) এবং আতা উল্লাহর পুত্র মোঃ নোমান (২০) ছুরিকাঘাত হয়। ছুরিকাঘাতদের উদ্ধার করে গয়ালমারা সেভ দ্যা চিলড্রেন হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর গুরুতর আহত ৩জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করেন।
এদিকে ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২দিন আগে আল ইয়াকিনের লিডার মৌলভী জাকারিয়া জনৈক আতা উল্লাহকে অপহরণ করে নিয়ে বিষম নির্যাতন চালিয়ে মারধর করে চিকিৎসা দেননি। পরে আতা উল্লাহকে হাসপাতালে ভর্তি না করার শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু আতা উল্লাহর শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় মাষ্টার ইকরাম এবং হাফেজ মোঃ আনাস মিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরধরে এই ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।
হোয়াইক্যং ফাঁড়ির আইসি মশিউর রহমান জানান, সকালের এই ঘটনার খবর শুনেছি তবে কোন পক্ষই অভিযোগ করেনি। ##