টেকনাফের শামলাপুরে মুআস এর হাসপাতাল উদ্বোধন, চিকিৎসা পাবে স্থানীয়রাও

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৯ years ago

অনলাইন ডেস্ক :
টেকনাফের উপকূলীয় অঞ্চল বাহারছড়ায় আনুষ্টানিক ভাবে শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে ইউরোপ ভিত্তিক সংস্থা মুআস এর ব্যাতিক্রমধর্মী কার্যক্রম। বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর বাজারের উত্তর পাশে স্থাপন করা হয়েছে সংস্থার অস্থায়ী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প। ৩টি শেডের সমন্বয়ে স্থাপিত অত্যাধুনিক চিকিৎসা ক্যাম্পটি আজ ১৪ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় ফিতা ও কেক কেটে আনুষ্টানিক ভাবে উদ্বোধন করেন মুয়াস এর প্রতিষ্টাতা মি.খ্রীষ্টুফার কেট্রামবূনে এবং মুআস এর চেয়ারম্যান মিসেস রেজিনা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সেনা বাহিনীর পক্ষে মেজর মোঃ ইউসুফ,ক্যাপ্টেন ডাঃ শুভ, মুআসের কো-অর্ডিনেটর মোঃ শহীদ উল্লাহ, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শ্রুতি চাকমা,বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাওলানা আজিজ উদ্দিন,ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার, স্থানিয় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক,এলাকার ব্যবসায়ী গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ। উপকূলীয় এলাকা বাহারছড়ার এই ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প স্থাপিত হওয়ায় স্থানিয় গনমানুষের মধ্যে উল্লাস দেখা দিয়েছে। উদ্বোধন শেষে মুআসের প্রতিষ্টাতা,চেয়ারম্যান,সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা,জনপ্রতিনিধি,সাংবাদিকবৃন্দ ক্যাম্পের বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করেন। এসময় মুআসের চেয়ারম্যান মিসেস রেজিনা উপস্থিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সাংবাদিক,জনপ্রতিনিধিদের ব্রিফিং কালে বলেন,বিপন্ন রোহিঙ্গাদের পাশাপশি এলাকার হতদরিদ্র মানুষ কে ও ফ্রি চিকিৎসা দেবে মুআস। সকলের সহযোগিতা পেলে আমাদের পরিধি আরো বাড়বে। মুআসের কো-অর্ডিনেটর শহীদ উল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, স্বয়ংসম্পূর্ন একটি হাসপাতালের সেবা এ চিকিৎসা ক্যাম্পেই পাওয়া যাবে। বিদেশী ডাক্তার মি.জিয়াদার নেতৃত্বে ৯ জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার,প্যারাম্যডিক,ফার্মাসিষ্ট,সংশ্লিষ্ট বিভাগে আলাদা আলাদা নার্স। এতে সংযুক্ত করা হয়েছে-অত্যাধুনিক ল্যাব,আলট্রাসনোগ্রাফী,ইকোগ্রাফী,ইসিজি, ডেলিভারী রুম, গর্ভবতি মহিলাদের সিজার,২৪ ঘন্টা ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস।pic-1 উল্লেখ্য যে,ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভূক্ত দেশে মুআসের ব্যাপক কার্যক্রম রয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেয়া অসংখ্য মানুষের প্রাণ রক্ষা করেছে মুআসের উদ্ধারকারী জাহাজ ফোনিক্স।মূলত তারা বেশির ভাগ সাগরেই কাজ করে থাকে।সূত্রে জানায়, ২০১৪ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ভূমধ্য সাগরে ১৪ হাজার বাংলাদেশী সহ ৫০ হাজারের ও বেশী মানুষ কে উদ্ধার করেছে ফোনিক্স।