বার্তা পরিবেশক : আজ বঙ্গবন্ধুর জন্ম দিন ও জাতীয় শিশু দিবস। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এ দু’টি শব্দ এক হয়ে আছে। বঙ্গবন্ধু ছাড়া বাংলাদেশকে ভাবা যায় না। বঙ্গবন্ধু জন্ম না নিলে আমরা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ পেতাম না। তিনি বাংলাদেশের মহান স্থপতি। তিনি আমাদের জাতির পিতা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গি পাড়ায় জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। দীর্ঘ ০৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে জয়লাভ করে স্বাধীনতার সূর্য ছিনিয়ে এনেছি। স্বাধীনতার পর তিনি যখন দেশ গঠনে হাত দেন এবং দেশকে উন্নতির শিখরে পৌছে দেয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন তখন কতিপয় দুস্কৃতিকারী ঘাতকের হাতে ১৯৭৫ সনের ১৫ই আগষ্ট স্বপরিবারে শাহাদত বরণ করেন।
বঙ্গবন্ধু আজ আমাদের মাঝে না থাকলেও তাঁর কীর্তি তাঁকে চিরকাল বাঁচিয়ে রাখবে। যতদিন থাকবে বাংলাদেশ ততদিন তাঁর নাম ইতিহাসের পাতায় চির উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।
বঙ্গবন্ধু শিশুদের জন্য অনেক অবদান রেখে গেছেন। শিশুদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর অনেক স্বপ্ন ছিল। তিনি মনে করতেন, আগামীতে শিশুরাই দেশের নেতৃত্ব দেবে। তাই তাদের সৃজনশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালের ২১ জুন শিশু আইন, ১৯৭৪ পাশ করেন। এর মাধ্যমে শিশুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। বঙ্গবন্ধু বহুবার কচিকাঁচার মেলা, খেলাঘরসহ অন্যান্য শিশু সংগঠনে শিশুদের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন তাদের সাথে। এসব অনুষ্ঠানে তিনি হয়ে উঠতেন শিশুদের আনন্দ ও বিনোদনের সঙ্গী।
পরিশ্রম আঘাত আর ত্যাগেই যার জীবন

সোলতান আহমদ
মুক্তিযুদ্ধা (মুজিব বাহিনী)
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ
টেকনাফ উপজেলাধীন হ্নীলা ইউনিয়নের
১নং ওয়ার্ড শাখার (নির্বাচিত) সভাপতি
