চকরিয়া বরইতলী উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

এম.জিয়াবুল হক : চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের অন্যতম সফল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বরইতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা গতকাল শুক্রবার (৩১ জানুয়ারী) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বরইতলী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি জয়নাল আবেদিন বাবুলের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ ও পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চকরিয়া-পেকুয়া (কক্সবাজার-১) আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন বিদ্যালয় কমিটির সাবেক সভাপতি চকরিয়া পেকুয়া আসনের সাবেক সাংসদ ও সাবেক কক্সবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এএইচ সালাহউদ্দিন মাহমুদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বরইতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আবছার।
বিশেষ অতিথি ছিলেন কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু, বিদ্যালয় কমিটির সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, বরইতলী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাস্টার বেলাল আহমদ, সাবেক মেম্বার ডা.মাসুক আহমদ প্রমুখ। এছাড়াও অন্ষ্ঠুানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, পরিচালনা কমিটির সকল সদস্য, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহল। অনুষ্ঠানে বিদায়ী এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ের পক্ষথেকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এমপি জাফর আলম বলেছেন, স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে শিক্ষাখাতের অগ্রগতি উন্নয়নে বেশি কাজ করেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ সরকার। দেশগড়ার কারিগর নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদেরকে লেখাপড়ার মাধ্যমে দক্ষমানব সম্পদ গড়তে চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেইজন্য সরকার লেখাপড়ার মানন্নোয়নে শিক্ষার্থীদের জন্য সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছেন। পাশাপাশি শিক্ষক এবং সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, অতীতের সরকার প্রধান এরশাদ খালেদা ছিলেন লেখাপড়া থেকে আলাদা। ছিলেন উপবৃত্তি থেকে আলাদা। তাঁরা আলাদা থাকলেও শেখ হাসিনা সরকার শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি সুবিধা চালু করেছেন। বিদ্যালয়ে ঝড়েপড়া রোধে চালু করেছেন মিড ডে মিল কর্মসুচি। শিক্ষার্থীরা পাচ্ছেন দুপুরের খাবার। বর্তমানে বছরের প্রথমদিন শিক্ষার্থীরা নতুন পাঠ্যবই পাচ্ছে।
এমপি জাফর আলম বলেন, একসময় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার খরচ চালাতে হতো পরিবারকে। এখন তাদের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছেন শেখ হাসিনা নিজেই। সেই আলোকে সরকার শিক্ষার্থীদের জন্য মেধানির্ভর শিক্ষার সম্ভাবনা তৈরী করেছে। তাঁর সদিচ্ছার কারনে আজ শিক্ষার্থীরা বিনা বেতনে লেখাপড়া সুযোগ পাচ্ছে। আমরা চাই শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মান্নোয়ন নিশ্চিতকল্পে টেকসই উন্নয়নে চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোকে বদলে দিতে। একই সঙ্গে সম্পদে ভরপুর সম্ভাবনার চকরিয়া-পেকুয়াকে এগিয়ে নিতে বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের সম্পদে পরিণত করতে হবে। সেইজন্য লেখাপড়ার মানন্নোয়নে শিক্ষক সমাজ ও অভিভাবকমন্ডলী সবাইকে দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করতে হবে। #