এম.জিয়াবুল হক : কক্সবাজার বিশে^র একটি অন্যতম দর্শনীয় পর্যটন জোন। সারাবছর কক্সবাজারের সৌর্ন্দয অবলোকনে দেশ-বিদেশী প্রচুর পর্যটক আগমন ঘটে। এই অঞ্চলে আগমনে বর্তমানে স্থলপথে বেশি নিরাপদ মনে করছেন পর্যটকরা। সেইজন্য বর্তমান সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নজরদারিতে পর্যটন জেলা কক্সবাজারকে উন্নয়নের মাইফলকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। যাতে দেশ-বিদেশী পর্যটকদের মাঝে আরো আকর্ষণীয় পর্যটন জোন হিসেবে কক্সবাজারকে তুলে ধরা যায়।
তিনি বলেন, পর্যটন শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি বর্তমান সরকার স্থলপথের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে অনেকগুলো মেগাউন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। আগামী কয়েকবছরের মধ্যে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত হবে। এতে সর্বস্তরের জনসাধারণ এবং পর্যটকসহ যাত্রীসাধারণ সুফল হবে। তাই বলবো সরকারের সুনাম রক্ষা এবং কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের বিকাশে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। একই সঙ্গে এখন থেকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে হয়রাণি ও চাঁদাবাজিমুক্ত সুন্দর পরিবেশে যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে হবে। রবিবার রাতে চকরিয়া বাসটার্মিনালে মারছা পরিবহনের কাউন্টার উদ্বোধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চকরিয়া-পেকুয়া (কক্সবাজার-১) আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম একথা বলেন।
চকরিয়ার শহীদ আবদুল হামিদ পৌর বাসটার্মিনালে কাউন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী, চকরিয়া থানার ওসি মোঃ হাবিবুর রহমান, আরাকান সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম। মারছা পরিবহনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) মোঃ আলমগীর ছিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আমিনুর রশিদ দুলাল, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ ওয়ালিদ মিলটন, আরাকান সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক কামাল আজাদ, সহসভাপতি শাহজাহান ভূট্টো ও আবুল কালাম, পৌর সচিব মাসউদ মোর্শেদ, নিরাপদ চাই (নিসচা) কক্সবাজার জেলা সভাপতি জসিম উদ্দিন কিশোর, কাকারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত ওসমান, কাউন্সিলর মুজিবুল হক মুজিব, পৌর আওয়ামীলীগ নেতা লায়ন আলমগীর চৌধুরী, চকরিয়া লামা রোড শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক রফিক উদ্দিন প্রমুখ। #
