কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসাবে গড়ে তোলার কাজ চলছে ….কক্সবাজারে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৯ years ago

টেকনাফ টুডে ডটকম :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অবৈধভাবে যারা ক্ষমতা দখল করে, সংবিধান লংঘন করে যারা ক্ষমতা দখল করে, তারা জনগণের কথা ভাবে না। তারা ক্ষমতা ভোগ করে আর কিছু এলিটকে লুটপাটের সুযোগ করে দেয়।

তিনি বলেন, ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসে ঘোষণা দিয়েছিলাম- আমি শাসক না জনগণের সেবক হিসেবে বাংলাদেশ পরিচালনা করব। আমার বাবা দেশ স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন, আমি জানি এটা আমার জন্য কঠিন পথ। কারণ এই মাটিতে আমার বাবা-মা-ভাইসহ পুরো পরিবারকে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার বিকালে কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিতে জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি দুর্দিনেও নাই উন্নয়নেও নাই। কিন্তু আমি আপনাদের সামনে খালি হাতে আসিনি। অনেক প্রকল্প নিয়ে এসেছি। যে কাজগুলো ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, সেগুলো উদ্বোধন করেছি। যেগুলো করব, সেগুলোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু এখানে পর্যটক আসে, সেহেতু তাদের যাতায়াতের জন্য বিমান নিয়ে এসেছি। এই বিমান আজ কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রথম অবতরণ করলো। আমি এই বিমানের মাধ্যমে এখানে আন্তর্জাতিক রুট পরিচালনার ঘোষণা দিলাম।’

কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসাবে গড়ে তোলার কাজ চলছে ।

ইয়াবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন এই ইয়াবার জন্য কক্সবাজারের বদনাম হচ্ছে ইয়াবা পাচারে যারা জড়িত তাদেরকে অবশ্যই শান্তি পেতে হবে সে যেই হউক না কেন।

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এই এয়ারপোর্টটি (বিমানবন্দর) জরাজীর্ণ ছিল, ৯৬ সালে সরকারে এসে এটিকে উন্নত করে যাই। এই বিমানবন্দরকে উন্নত করার জন্য আরও কিছু উদ্যোগ নিয়েছি।’
শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯১ সালে ঘূর্ণিঝড়ের সময় বিএনপি ক্ষমতায় ছিল। এত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বিএনপি নেত্রী জানতেন না। আমি সংসদে তোলার পর উনি বলে দিলেন, যত মরার কথা, তত মানুষ মরে নাই। আমি প্রশ্ন করেছিলাম, কত মানুষ মরলে আপনার তত মানুষ হবে?

তিনি বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে (সেদিন) ছুটে এসেছিলোম। আসার পথে কঠিন অবস্থায় পড়তে হয়েছিল। রাস্তা ভাঙা ছিল। এরই মধ্যে এসে সমস্ত দ্বীপাঞ্চল ঘুরে ঘুরে রিলিফ ওয়ার্ক করেছি। তখন পর্যন্ত বিএনপি সরকারের কেউ আসেনি।