বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার |
কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন (বিপিএমবার) টানা ২য় বারের মতো ‘বিপিএম’ প্রাপ্তি এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন ‘আইজিপি’ ব্যাচ প্রাপ্তি উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত গণসংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এবিএম মাসুদ হোসেন বলেন- ‘চোরের দশ দিন গৃহস্থের এক দিন।’ যেদিন ধরা পড়বে সে দিন আর বেঁচে থাকার সুযোগ থাকবে না।
তিনি বলেন, সমাজে যারা ইয়াবা কারবারি তাদের চেয়ার দেবেন না। সমাজে তারা যেন নেতৃত্ব দিতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কমিউনিটি পুলিশের উদ্দেশে তিনি বলেন, টেকনাফে যে অবস্থা হয়েছে উখিয়াতে সেরকম ইয়াবা কারবার নেই। তথাপি রোহিঙ্গারা উপাড় থেকে ইয়াবা নিয়ে আসলে স্থানীয়রা ওইসব ইয়াবা বাজারজাত করে। এদেরকে শনাক্ত করতে হবে। শনাক্ত করতে হবে যারা আলিশান বাড়ি, গাড়ি, অগাধ সহায় সম্পত্তি করেছে তাদের দিকে অচিরেই তাদের সহায় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার কাজ করছে সিআইডি। তিনি মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত উখিয়া চান।
শনিবার বিকালে উখিয়ার হিজলিয়া পালং গার্ডেন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উখিয়া উপজেলা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি নুরুল হুদা। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ২য় বারের মতো বিপিএম প্রাপ্তি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, এ বর্ণাঢ্য আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। যাদের কারণে উখিয়াতে এখনো ইয়াবার প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি তিনি সাংবাদিক তোফায়েল ও বাহাদুরকে উদ্দেশ্য করে বলেন, রোহিঙ্গার চিত্র চোখে পড়লে মন খারাপ হয়ে যায়।
যেমন, সন্তান হলে মন টেনশন থাকে একইভাবে মেয়ে হলে টেনশনটা আরো বাড়ে। কারণ রোহিঙ্গারা যেভাবে আছে সেভাবে আরো কিছুদিন থাকলে স্থানীয়দের দৃশ্যমান কষ্ট ভোগ করতে হবে। তিনি অভিভাবক মহলকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে স্থানীয় ও রোহিঙ্গারা এখনো সহ অবস্থানে বাস করছেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া সার্কেল) নিহাদ আদনান তাইযান, উখিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী, রত্নাপালং ইউপি চেয়ারম্যান খাইরুল আলম চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আদিল উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মকবুল হোসেন মিথুন, যুবলীগ সেক্রেটারী ইমাম হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুন নাহার বেবী, সোহেল আহমদ বাহাদুর প্রমুখ।
সূত্র কালের কন্ঠ অনলাইন
