বিশেষ প্রতিবেদক : টেকনাফে পাহাড় ঘেঁষা মাদকের আস্তানার মাদক কারবারী সাহাব উদ্দিন ইয়াবা ও মোটর বাইকসহ র্যাবের হাতে আটক হলেও বিশেষ পাহারা বসিয়ে আদৌ নিরাপদে থাকা অসংখ্য মাদক কারবারী আইনের আওতায় না আসায় জনমনে চরম ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়,গত ২২ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৪টায় র্যাব-১৫, (সিপিসি-২) হোয়াইক্যং ক্যাম্পের একটি চৌকষ আভিযানিক দল নয়াবাজার ব্রীজের উপর হতে ৮ হাজার ইয়াবা ও মোটর সাইকেল পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়ার হাজী আব্দুল মালেকের পুত্র সাহাব উদ্দিন (২৪) কে আটক করে। এছাড়া মাদক বিরোধী অভিযান চলাকালে এই মাদক চোরাচালানের পরিমাণ কিছুটা কমে আসলেও চলতি মাসের শুরু হতে অদ্যবধি আইন-শৃংখলা বাহিনীর সাথে বন্দুকযুদ্ধ এবং ইয়াবাসহ হাতে-নাতে আটকের পরিসংখ্যান বৃদ্ধি পেয়েছে। উপজেলার অন্যান্য এলাকার পাশাপাশি এখন হোয়াইক্যং এবং হ্নীলা ইউনিয়নের পাহাড় ঘেষাঁ দক্ষিন জোনসমুহ মাদকের অপতৎপরতা কমেনি।
এই দুই ইউনিয়নের পূর্ব হতে অদ্যবধি সক্রিয় থাকা বৃহত্তর সাতঘড়িয়া পাড়া, বৃহত্তর মহেশখালীয়াপাড়া, নয়াবাজার, হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া, জাদিমোরা, বৃটিশ পাড়া, নয়াপাড়া, মোছনী পাড়ার মাদক কারবারীরা অনেকে এখনো মাদক চোরাচালানে সম্পৃক্ত রয়েছে বলে স্থানীয় বিভিন্ন সুত্রের দাবী।
তালিকাভূক্ত এসব মাদক কারবারীদের বিষয়ে স্থানীয় জনসাধারণের নিকট জানতে চাইলে তারা জানান, যে তালিকা প্রকাশ হয়েছে তাতেও অনেক মাদক কারবারীদের নাম বাদ পড়ায় কৌশলে এই কারবার ছাড়েনি। এদিকে প্রকাশিত তালিকাভূক্তদের মধ্যে অনেকে মারা গেছে, অনেকে জেলে রয়েছে, আবার অনেকে বানিজ্যিক ক্ষতির কারণে ঝিমিয়ে পড়লে কৌশল পরিবর্তন করে পাহাড় ঘেঁষা জনপদের অধিবাসীসহ চিহ্নিত মাদক কারবারীদের অপকর্ম বন্ধ না হওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে মাদকের অপতৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
চলতি মাসের সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাদকের চোরাচালান বৃদ্ধি পাওয়া সম্পর্কে আইন-শৃংখলা বাহিনীর একাধিক নির্ভরযোগ্য সুত্রের সাথে আলাপকালে জানায়, প্রশাসনের অভিযানের মুখে মাদকের অপতৎপরতা কমলেও হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ার নেপথ্য কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে মাদক কারবারীরা যতই কৌশল অবলম্বন করুক না কেন কোন ধরনের অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবেনা বলে মন্তব্য করতে শুনা গেছে।
বিঃ দ্রঃ (সংগত কারণে সংবাদটি সম্পাদনা করা হল;পরবর্তীতে বিস্তারিত ও বৃহৎ পরিসরে আসবে)
