বার্তা পরিবেশক : ৫জুন টেকনাফ ৭১ অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত “রবি ডেন্টাল ল্যাবে একের ভিতর ৩ ভূঁয়া রোহিঙ্গা ডাক্তার সেজে চিকিৎসার নামে প্রতারনার অভিযোগ!” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
উক্ত সংবাদের মনগড়া তথ্যের বিষয়ে সকলের অবগতির জন্য আমি বলতে চাই যে, আমি ১৯৮১ সালে কক্সবাজার ৬নং নতুন বাহারছড়ায় হটটিটি পাড়ায় বাচাঁ মিয়ার পরিবারে জন্ম গ্রহণ করি। আমার ৮ বছর বয়সের পর হতে কক্সবাজার আব্দুল মালেক কবিরাজের সাথে প্রায় সাড়ে ৮বছর কবিরাজি করি। ১৭ বছর বয়সে চট্রগ্রাম বহদ্দার হাট রানা ডেন্টাল কেয়ারে ১২বছর ধরে চাকরি করে দন্ত বিদ্যা সম্পর্কে হাতেখড়ি হয়। ২০১২ইং সালে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাগজ-পত্রাদি নিয়ে কক্সবাজারের ডেন্টিস ফরিদা ইয়াছমিন এই রবি ডেন্টাল কেয়ার চালু করেন। আমি এই ল্যাবে ফরিদা ইয়াছমিনের সহযোগী হিসেবে ছিলাম। তিনি ৪ বছর এই ল্যাব চালুর পর বিয়ের কারণে স্বামীর ঘরে যাওয়ায় হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঞ্জর পাড়ার আব্দুল জলিলের মেয়ে পারভীন আক্তারের নিকট বিক্রি করে মালিকানা হস্তান্তর করেন। সেই হতে এখন পর্যন্ত আমি উক্ত ল্যাবের সহযোগী হিসেবে চাকরী করে আসছি। আমি গরীবের ছেলে একটি ছোট-খাট চাকরী করে পেট চালায় তাই কি আমার অপরাধ?
বর্তমানে এই রবি ডেন্টাল কেয়ারে বিডিএস ডেন্টাল সার্জেন্ট ডাঃ আলমগীর,টেকনিশিয়ান যুটন চন্দ্র শীল এবং মহিলাদের জন্য পারভীন আক্তার দন্ত চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন। এখানে কোন রোহিঙ্গা চিকিৎসক নেই। সম্প্রতি লকডাউন চলাকালে প্রশাসনের নির্দেশে এই ডেন্টাল কেয়ারটি বন্ধ রয়েছে।
আর উক্ত সংবাদে ২০১৭ সালের ২৫ আগষ্ট মিয়ানমার সীমান্তে সন্ত্রাসী হামলায় সম্পৃক্ত থাকার পর এই দেশে অনুপ্রবেশ করি বলে উদ্ভট তথ্য দেওয়া হয়েছে। যা জনমনে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করছে। আমি এসব বিভ্রান্তিমূলক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সম্মানিত সংবাদকর্মী ভাইদের আন্তরিক সহায়তা কামনা করছি।
নিবেদক :
খাইরুল বশর
সহকারী, রবি ডেন্টাল কেয়ার
হ্নীলা বাসষ্টেশন,টেকনাফ। ###
