ফলোআপ : লেদার নব্য ইয়াবা কিং ছৈয়দকে বাঁচাতে মাদক কারবারী ও কথিত সুশীল সমাজের গোপন মিশন!

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

বিশেষ প্রতিবেদক : লেদায় কৌশলে থাকা ইয়াবা কারবারী ছৈয়দ আলমকে বাঁচাতে এবার মাঠে নেমেছে ‌‌‍‍পূর্ব লেদার ” জ ” মু.. নামে তালিকাভূক্ত দুই মাদক কারবারী ও তাদের স্বজনসহ সুশীল সমাজের মুখোশধারী একটি চক্র। এখন এই ছৈয়দ আলমকে বাঁচাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, বিভিন্ন সংস্থার সোর্সদের বশে এনে প্রকৃত ঘটনা ধামা-চাপা দেওয়ার জন্য একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলার প্রক্রিয়া চলছে। আবার অনেকে মোটাংকের টাকা-পয়সার বিনিময়ে এই ইয়াবা কারবারীর অপকর্ম ধামা-চাপা দিয়ে রাখার জন্য বিভিন্ন মহলের সাথে যোগাযোগ রক্ষাসহ নানাবিধ কারণে দৌড়ঝাঁপ শুরু করতে দেখা গেছে।
এদিকে ছৈয়দ আলমের অপকর্ম প্রকাশিত হওয়ায় পর আন্ডার ওয়ার্ল্ডে তুমুল হৈ ছৈ পড়ে যায়। দীর্ঘদিন পর হলেও মুখোশ উম্মোচিত হওয়ায় তাদের অনেকে স্বস্তিবোধ করলেও কালো টাকার বিনিময়ে যারা অপতৎপরতায় জড়িত ; তারাই স্থানীয় সচেতন মহলে হাসির খোরাকে পরিণত হয়েছে।

এদিকে উপজেলার হ্নীলাস্থ লেদা ষ্টেশনের আলীর পুত্র ছৈয়দ আলমকে বাঁচাতে ইয়াবা প্রেমী কিছু ব্যক্তির সাফাই গাওয়ার বিষয়ে স্থানীয় লোকজনের আচরণে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। যা আইন-শৃংখলা বাহিনীর নিজস্ব গতিতে তদন্তে বেরিয়ে আসবে বলে আশাবাদ।

এছাড়াও বিভিন্ন গ্রামে করোনা কঠোরতায় মানুষের দুঃসময়ের সুযোগে নতুন নতুন সিন্ডিকেট গড়ে কৌশলে মাদকের অপতৎপরতা চালাচ্ছে বলে একাধিক সুত্রের দাবী। যা সচেতন মহলে আরো নতুন করে শংকা দেখা দিয়েছে।

হ্নীলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি নজরুল ইসলাম খোকন জানান, ঢোলের আওয়াজ যেমন কাপড়ের ভেতরে লুকানো যায় না তেমনি মাদক কারবার করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে এখন বাঁচতে যতই ফন্দি করুক না কেন; এতে কোন কাজ হবেনা। তিনি ছৈয়দ আলমসহ অপরাধীদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা দরকার বলে মনে করেন।

এদিকে পূর্ব লেদার একাধিক সুত্রের দাবী, এই গ্রামের বেশীর ভাগ লোকই নানা অপরাধে জড়িত। তাদের সাথে মুখোশের আড়ালে থাকা অনেকে এখনো নানা অপতৎপরতা চালিয়ে আসছে। যা বিভিন্ন আইন-শৃংখলা বাহিনীর বিশেষ গোপনীয় নথিতে রয়েছে। এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সব অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবী উঠেছে। ###