নিজস্ব প্রতিবেদক : টেকনাফের বাহারছড়া উত্তর শিলখালী একোয়া শ্রিম্প হ্যাচারি, নারিশ কোম্পানির নিজস্ব জমিতে মাটি ভরাট করার কাজে বাঁধা প্রদান করে ৫০লাখ টাকা চাঁদা দাবি, শ্রমিককে মারধর ও কোম্পানির মাটি কাটার স্কেভেটর ভাঙচুরের দায়ে রফিকুল আমলকে প্রধান আসামি ও এটিএম শামসুল আলমকে ২য় প্রধান আসামি করে জড়িত ১২জনকে এজহারভূক্ত ও ৮/১০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সুত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) কোম্পানির টেকনাফ প্রজেক্টের দায়িত্বরত স্টোর অফিসার মোঃ রাশেদুল ইসলাম বাদি হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকির দায়ে প্রতিকার চেয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার বাদি রাশেদুল ইসলাম বলেন,” স্থানীয় মৃত আবুল হোসেনের পুত্র রফিকুল আলম ও এটিএম শামসুল নেতৃত্বে মামলায় উল্লেখিত ১২ জনসহ অজ্ঞাত আরো ২০-৩০জন লোক এসে কাজ করতে হলে ৫০লাখ টাকা দিতে হবে বলে অতর্কিতভাবে হামলা করে স্কেট ভেটারের তেল,মুবিল,বান্ডিল ও গ্লাস ভেঙে দেয়। যাতে ২লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি ও স্কেট ভেটার ভাঙচুরে ৬লাখ টাকা ক্ষতি হয়। অথচ মাটি ভারাট করার সময় স্থানীয় চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন শিকদার তাদের কোন ধরনের বাঁধাগ্রস্ত না কারার জন্য নিজেই দাঁড়িয়ে থেকে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করে দেন কিন্তু তিনি চলে যাওয়ার পর দলবল নিয়ে চাঁদাদাবি,মারধর, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে তাই আমরা কোম্পানির সিদ্ধান্তমোতাবেক আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছি।”
